নিউইয়র্ক ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করছে পাকিস্তান: নাসের হুসেইন

  • আপডেটের সময় : ০৩:৫৫:০৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলছিলেন সায়েম আয়ুব। সেখান থেকে হঠাৎ পাকিস্তানের টেস্ট দলে ডাক পান তিনি। তবে এজবাস্টন টেস্টে দুই ইনিংসেই শূন্য করেছেন এই ব্যাটার।  সায়েম আয়ুবের এই ব্যর্থতায় পাকিস্তান নির্বাচকদের দায় দেখছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন।

এভাবে কাউকে দলে এনে পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।লর্ডস টেস্টের পর পাকিস্তান দল থেকে বাদ দেওয়া হয় সাত ক্রিকেটারকে। দেশে ফেরত পাঠানো হয় তাঁদের। দলে নতুন করে নেওয়া হয়েছে সাতজনকে, এর মধ্যে পাঁচজনই টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন। দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও বরখাস্ত করা হয়।

কিন্তু এত কিছু করেও এজবাস্টনে শেষ টেস্টে ইনিংস হারের পথে রয়েছে পাকিস্তান।এমন পরিস্থিতির জন্য পাকিস্তানের ম্যানেজমেন্টকে দায় দিচ্ছেন নাসের হুসেইন। স্কাই স্পোর্টসকে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে সায়েম আয়ুবকে দেখলে মনে হয়, অনেকক্ষণ ফিল্ডিংয়ে থাকার পর হঠাৎ ব্যাটিং করতে গিয়ে পুরোপুরি মনোযোগী না থাকার একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ।’

সাবেক এই ইংলিশ অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আসল কথা হলো, ওর (সায়েম) এখানে থাকাই উচিত ছিল না। সে গত ১১ মাসে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেনি; ১০ দিন আগেও সিপিএল খেলছিল। জানি না, কে মনে করেছে যে বিদেশের কন্ডিশন থেকে উড়িয়ে এনে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সংস্করণে খেলার পর এই কন্ডিশনে ডিউক বলের বিপক্ষে সে ভালো করতে পারবে। এটা আসলে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি একধরনের অসম্মান এবং অবহেলা।’

নাসের মনে করেন, পাকিস্তানের এই দলটা দল হিসেবে খেলছে না। তিনি বলেন, ‘সিরিজের মাঝপথেই খেলোয়াড়দের সতীর্থ ও রুমমেটদের দল থেকে বাদ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট পাওয়া বোলারকেও বাদ পড়তে হয়েছে। যখন ৭ জন খেলোয়াড়কে টেস্টের মাঝে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তখন দলের মৌলিক মূল্যবোধগুলো নষ্ট হয়ে যায়। খেলোয়াড়েরা তখন ভাবতে শুরু করে, দল যখন আমার সতীর্থদের তোয়াক্কা করে না, তখন আমি কেন দলের জন্য খেলব? আমি কেবল নিজেরটা দেখি।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রে ৬৪ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির দায়ে বাংলাদেশি নারীর কারাদণ্ড

শনিবার শুরু হচ্ছে ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করছে পাকিস্তান: নাসের হুসেইন

আপডেটের সময় : ০৩:৫৫:০৩ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলছিলেন সায়েম আয়ুব। সেখান থেকে হঠাৎ পাকিস্তানের টেস্ট দলে ডাক পান তিনি। তবে এজবাস্টন টেস্টে দুই ইনিংসেই শূন্য করেছেন এই ব্যাটার।  সায়েম আয়ুবের এই ব্যর্থতায় পাকিস্তান নির্বাচকদের দায় দেখছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন।

এভাবে কাউকে দলে এনে পাকিস্তান টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।লর্ডস টেস্টের পর পাকিস্তান দল থেকে বাদ দেওয়া হয় সাত ক্রিকেটারকে। দেশে ফেরত পাঠানো হয় তাঁদের। দলে নতুন করে নেওয়া হয়েছে সাতজনকে, এর মধ্যে পাঁচজনই টেস্টে অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন। দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও বরখাস্ত করা হয়।

কিন্তু এত কিছু করেও এজবাস্টনে শেষ টেস্টে ইনিংস হারের পথে রয়েছে পাকিস্তান।এমন পরিস্থিতির জন্য পাকিস্তানের ম্যানেজমেন্টকে দায় দিচ্ছেন নাসের হুসেইন। স্কাই স্পোর্টসকে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে সায়েম আয়ুবকে দেখলে মনে হয়, অনেকক্ষণ ফিল্ডিংয়ে থাকার পর হঠাৎ ব্যাটিং করতে গিয়ে পুরোপুরি মনোযোগী না থাকার একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ।’

সাবেক এই ইংলিশ অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আসল কথা হলো, ওর (সায়েম) এখানে থাকাই উচিত ছিল না। সে গত ১১ মাসে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেনি; ১০ দিন আগেও সিপিএল খেলছিল। জানি না, কে মনে করেছে যে বিদেশের কন্ডিশন থেকে উড়িয়ে এনে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সংস্করণে খেলার পর এই কন্ডিশনে ডিউক বলের বিপক্ষে সে ভালো করতে পারবে। এটা আসলে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি একধরনের অসম্মান এবং অবহেলা।’

নাসের মনে করেন, পাকিস্তানের এই দলটা দল হিসেবে খেলছে না। তিনি বলেন, ‘সিরিজের মাঝপথেই খেলোয়াড়দের সতীর্থ ও রুমমেটদের দল থেকে বাদ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট পাওয়া বোলারকেও বাদ পড়তে হয়েছে। যখন ৭ জন খেলোয়াড়কে টেস্টের মাঝে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তখন দলের মৌলিক মূল্যবোধগুলো নষ্ট হয়ে যায়। খেলোয়াড়েরা তখন ভাবতে শুরু করে, দল যখন আমার সতীর্থদের তোয়াক্কা করে না, তখন আমি কেন দলের জন্য খেলব? আমি কেবল নিজেরটা দেখি।’

Share this news as a Photo Card