নিউইয়র্ক ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীসহ সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুলের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ

  • আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:৫২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়ায় তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)  দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজীর আহমেদ এ তথ্য জানান।

দুদক সূত্র জানায়, কমিশনের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল অনুসন্ধান শেষে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের নামে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৫ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্যয়সহ তার অর্জিত সম্পদের মোট পরিমাণ ২ কোটি ৭৭ লাখ ৭১ হাজার ৬২৩ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮০ টাকা।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মনিরুল ইসলামের নামে অর্জিত সম্পদ ও বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের সঙ্গে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি রয়েছে।

অপরদিকে, তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের নামে ১০ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর এবং ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ হিসাবে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৮ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা। বিভিন্ন ব্যয় বাবদ ৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা যোগ করলে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে জাকিয়া পারভীনের নামে অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের সঙ্গে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বামীর সহায়তায় তার নামে এসব সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনার ভিত্তিতে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও জাকিয়া পারভীনের কাছ থেকে পৃথক সম্পদ বিবরণী গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় তাদের পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

দুদকের নথিতে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পিআরএল ভোগরত অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা প্রসঙ্গে ঢাকার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বার্তা

ইরানকে ‘নির্মূল’ করবো নাকি করবো না সিদ্ধান্ত আসছে: ট্রাম্প 

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

স্ত্রীসহ সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুলের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ

আপডেটের সময় : ০৩:৩৪:৫২ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়ায় তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর)  দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজীর আহমেদ এ তথ্য জানান।

দুদক সূত্র জানায়, কমিশনের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল অনুসন্ধান শেষে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের নামে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৫ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্যয়সহ তার অর্জিত সম্পদের মোট পরিমাণ ২ কোটি ৭৭ লাখ ৭১ হাজার ৬২৩ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮০ টাকা।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মনিরুল ইসলামের নামে অর্জিত সম্পদ ও বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের সঙ্গে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি রয়েছে।

অপরদিকে, তার স্ত্রী জাকিয়া পারভীনের নামে ১০ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর এবং ২৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এ হিসাবে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৮ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা। বিভিন্ন ব্যয় বাবদ ৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা যোগ করলে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৭ লাখ ২৬ হাজার টাকা। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে জাকিয়া পারভীনের নামে অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের সঙ্গে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বামীর সহায়তায় তার নামে এসব সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদক জানায়, অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনার ভিত্তিতে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ও জাকিয়া পারভীনের কাছ থেকে পৃথক সম্পদ বিবরণী গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় তাদের পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

দুদকের নথিতে মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পিআরএল ভোগরত অবস্থায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

Share this news as a Photo Card