নিউইয়র্ক ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উন্মোচনের আগেই আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের সম্ভাব্য ফিচার প্রকাশ্যে

  • আপডেটের সময় : ০৭:২১:৪৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৪০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও, বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষক, লিকার এবং সাম্প্রতিক ফাঁস হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স সম্পর্কে এরই মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। সব তথ্য যদিও এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সম্ভাব্য ফিচারগুলো প্রযুক্তিপ্রেমীদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করতে পারে অ্যাপল। একই আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনও প্রকাশ হতে পারে বলে প্রযুক্তি বিশ্বে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, নতুন মডেলের বাহ্যিক নকশায় বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না; বরং আগের প্রজন্মের ডিজাইনের ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে। ফলে এবার অ্যাপল নকশার পরিবর্তে প্রসেসরসহ অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার উন্নয়নেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে প্রসেসরে। ফোনটিতে নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে, যা অ্যাপলের প্রথম ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ হিসেবে আসতে পারে। এই চিপে উন্নত প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পারফরম্যান্স বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণও আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যামেরাতেও বড় আপগ্রেডের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রধান ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যোগ হতে পারে, যার মাধ্যমে আলো প্রবেশের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে কম আলোতে ছবি তোলার মান উন্নত হবে এবং ব্যবহারকারীরা ডেপ্ত অব ফিল্ড-এর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবেন।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চিপের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নকশার কারণে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করেও দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আগের তুলনায় বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সম্ভাব্য দাম নিয়ে। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্রের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম আগের মডেলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। যদি সেই তথ্য সত্যি হয়, তাহলে এটি অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি নন-ফোল্ডেবল আইফোনে পরিণত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

বাহ্যিক নকশায় বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত না থাকলেও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে নতুন প্রজন্মের চিপ, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির মতো উল্লেখযোগ্য আপগ্রেড থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। ডিভাইসটির প্রকৃত বৈশিষ্ট্য জানা যাবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের পরই।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

উন্মোচনের আগেই আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের সম্ভাব্য ফিচার প্রকাশ্যে

আপডেটের সময় : ০৭:২১:৪৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

অ্যাপলের নতুন আইফোন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও, বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষক, লিকার এবং সাম্প্রতিক ফাঁস হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স সম্পর্কে এরই মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। সব তথ্য যদিও এখনো নিশ্চিত নয়, তবে সম্ভাব্য ফিচারগুলো প্রযুক্তিপ্রেমীদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উন্মোচন করতে পারে অ্যাপল। একই আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ফোল্ডেবল আইফোনও প্রকাশ হতে পারে বলে প্রযুক্তি বিশ্বে জোর আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, নতুন মডেলের বাহ্যিক নকশায় বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না; বরং আগের প্রজন্মের ডিজাইনের ধারাবাহিকতাই বজায় থাকবে। ফলে এবার অ্যাপল নকশার পরিবর্তে প্রসেসরসহ অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার উন্নয়নেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে প্রসেসরে। ফোনটিতে নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহার করা হতে পারে, যা অ্যাপলের প্রথম ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির চিপ হিসেবে আসতে পারে। এই চিপে উন্নত প্যাকেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পারফরম্যান্স বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণও আরও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যামেরাতেও বড় আপগ্রেডের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রধান ক্যামেরায় ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যোগ হতে পারে, যার মাধ্যমে আলো প্রবেশের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এতে কম আলোতে ছবি তোলার মান উন্নত হবে এবং ব্যবহারকারীরা ডেপ্ত অব ফিল্ড-এর ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাবেন।

ব্যাটারির ক্ষেত্রেও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চিপের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নকশার কারণে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করেও দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ পাওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আগের তুলনায় বেশি ক্ষমতার ব্যাটারি দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে সম্ভাব্য দাম নিয়ে। বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক সূত্রের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম আগের মডেলের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। যদি সেই তথ্য সত্যি হয়, তাহলে এটি অ্যাপলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি নন-ফোল্ডেবল আইফোনে পরিণত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

বাহ্যিক নকশায় বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত না থাকলেও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে নতুন প্রজন্মের চিপ, উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির মতো উল্লেখযোগ্য আপগ্রেড থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়। ডিভাইসটির প্রকৃত বৈশিষ্ট্য জানা যাবে অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের পরই।

Share this news as a Photo Card