নিউইয়র্ক ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর

  • আপডেটের সময় : ০৫:১২:১৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

চলমান বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিশিয়াল ও রেফারির মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে। এই দাবিতে খোলা একটি অনলাইন পিটিশনে ইতিমধ্যে ৯৮ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার এই পিটিশন ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তবে সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই, বরং এগুলো সবই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রটনা। 

‘আর্জেন্টিনা আউট ডটকম’ (argentinaout.com)—এ নামক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, ফিফা এবং ম্যাচ কর্মকর্তারা টুর্নামেন্টজুড়ে আর্জেন্টিনা ও তাদের অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রতি স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখাচ্ছেন। 

পিটিশনে বলা হয়, ‘বিজয়ী যদি আগেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে অন্য দলগুলো কেন প্রতিযোগিতা করবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করে সবাইকে সমান সুযোগ দিন।’

এই বিতর্কের সূত্রপাত মূলত শেষ ষোলোর (রাউন্ড অফ সিক্সটিন) আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে। ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে মেসির পেনাল্টি মিস এবং ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর শেষ ১৩ মিনিটে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩টি গোল করে নাটকীয় জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।

তবে ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মিশর। তাদের অভিযোগ, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)-এর মাধ্যমে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হলেও, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের ঠিক আগে তাদের তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহর ওপর হওয়া ফাউলটি ভিএআর-এ পর্যালোচনা করা হয়নি। মিশরের দাবি, আর্জেন্টিনার সেই গোলটি বাতিল করে উল্টো তাদেরকে পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল।

ম্যাচ শেষে মিশরের কোচ হোসাম হাসান সরাসরি ফিফার সমালোচনা করেন, ‘আমি পরিণতির কথা না ভেবেই বলছি—এটি সাজানো ম্যাচ। যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে হয়, তাহলে অন্য দলগুলোকে বিশ্বকাপে আনার দরকার কী? ফিফা শুধু মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতে চায়। তারা ‘ফেয়ার প্লে’র কথা বলে, কিন্তু আমরা মাঠে তার কোনো প্রমাণ দেখিনি।‘

তবে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে আগে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সব অভিযোগ নাকচ করে তিনি তার যুক্তিতে বলেন, বর্তমান আধুনিক ফুটবলে ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির যুগে কোনো নির্দিষ্ট দলকে ইচ্ছাকৃতভাবে রেফারি বা ফিফা কর্তৃক সুবিধা পাইয়ে দেওয়া কার্যত অসম্ভব।

ইতিহাসের টান টেনে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ১৯৮৬ সালেও (যখন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতেছিল) বলা হয়েছিল আর্জেন্টিনা অন্যায্য সুবিধা পাচ্ছে। আমাদের জন্য এসব সমালোচনা একেবারেই নতুন কিছু

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে চীনে আটক মার্কিন ভূকম্পনবিদ

যুদ্ধের মধ্যেই রাশিয়ার ওপর শুল্ক কমালো যুক্তরাষ্ট্র

১৫ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর

আপডেটের সময় : ০৫:১২:১৩ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

চলমান বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিশিয়াল ও রেফারির মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে। এই দাবিতে খোলা একটি অনলাইন পিটিশনে ইতিমধ্যে ৯৮ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার এই পিটিশন ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তবে সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার দাবি, আধুনিক প্রযুক্তির যুগে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই, বরং এগুলো সবই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রটনা। 

‘আর্জেন্টিনা আউট ডটকম’ (argentinaout.com)—এ নামক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, ফিফা এবং ম্যাচ কর্মকর্তারা টুর্নামেন্টজুড়ে আর্জেন্টিনা ও তাদের অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রতি স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখাচ্ছেন। 

পিটিশনে বলা হয়, ‘বিজয়ী যদি আগেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে অন্য দলগুলো কেন প্রতিযোগিতা করবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কার করে সবাইকে সমান সুযোগ দিন।’

এই বিতর্কের সূত্রপাত মূলত শেষ ষোলোর (রাউন্ড অফ সিক্সটিন) আর্জেন্টিনা বনাম মিশর ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে। ম্যাচটিতে প্রথমার্ধে মেসির পেনাল্টি মিস এবং ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর শেষ ১৩ মিনিটে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩টি গোল করে নাটকীয় জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা।

তবে ম্যাচ শেষে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মিশর। তাদের অভিযোগ, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)-এর মাধ্যমে মিশরের একটি গোল বাতিল করা হলেও, আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের ঠিক আগে তাদের তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহর ওপর হওয়া ফাউলটি ভিএআর-এ পর্যালোচনা করা হয়নি। মিশরের দাবি, আর্জেন্টিনার সেই গোলটি বাতিল করে উল্টো তাদেরকে পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল।

ম্যাচ শেষে মিশরের কোচ হোসাম হাসান সরাসরি ফিফার সমালোচনা করেন, ‘আমি পরিণতির কথা না ভেবেই বলছি—এটি সাজানো ম্যাচ। যদি আর্জেন্টিনাকেই জেতাতে হয়, তাহলে অন্য দলগুলোকে বিশ্বকাপে আনার দরকার কী? ফিফা শুধু মেসিকে টুর্নামেন্টে রাখতে চায়। তারা ‘ফেয়ার প্লে’র কথা বলে, কিন্তু আমরা মাঠে তার কোনো প্রমাণ দেখিনি।‘

তবে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে আগে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সব অভিযোগ নাকচ করে তিনি তার যুক্তিতে বলেন, বর্তমান আধুনিক ফুটবলে ভিএআর (VAR) প্রযুক্তির যুগে কোনো নির্দিষ্ট দলকে ইচ্ছাকৃতভাবে রেফারি বা ফিফা কর্তৃক সুবিধা পাইয়ে দেওয়া কার্যত অসম্ভব।

ইতিহাসের টান টেনে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ১৯৮৬ সালেও (যখন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতেছিল) বলা হয়েছিল আর্জেন্টিনা অন্যায্য সুবিধা পাচ্ছে। আমাদের জন্য এসব সমালোচনা একেবারেই নতুন কিছু

Share this news as a Photo Card