নিউইয়র্ক ০১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০০ ব্রডগেজ রেলকোচ, সরবরাহ শুরু আগস্টে

  • আপডেটের সময় : ০৫:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ভারত থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ আনা হচ্ছে। আগামী আগস্টের শুরু থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে এসব কোচ সরবরাহ করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিস (রাইটস)-এর সঙ্গে ৯১৫ কোটি রুপির চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটির অর্থায়নে সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)।

বর্তমানে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালা রেল কারখানায় কোচগুলো নির্মাণের কাজ চলছে। যদিও ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পটির কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের মে মাসে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হয়।

এর আগে একই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি ব্রডগেজ এলএইচবি যাত্রীবাহী কোচ, ৩৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ এবং ১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সরবরাহ করা হয়েছিল।

রাইটসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহুল মিথাল বলেন, বাংলাদেশে ২০০টি নতুন কোচ সরবরাহের এই অর্ডার প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তিনি জানান, প্রথম চালান হিসেবে ২০টি কোচ খুব শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানো হবে।

রাইটস ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি রেল, মহাসড়ক, বিমানবন্দর ও নগর পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভারতীয় রেলের রোলিং স্টক রপ্তানির কাজ পরিচালনা করে।

এদিকে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ৩৭৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে প্রায় নয় ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছাত। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর ট্রেনটির চলাচল স্থগিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছিল ভারত। পরে গত মাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী পর্যটন ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

খাসলত ভালো না হওয়ায় তাদের সঙ্গে এমনটা ঘটে: সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের

পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

২১ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে ২০০ ব্রডগেজ রেলকোচ, সরবরাহ শুরু আগস্টে

আপডেটের সময় : ০৫:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ভারত থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ আনা হচ্ছে। আগামী আগস্টের শুরু থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ধাপে ধাপে এসব কোচ সরবরাহ করা হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিস (রাইটস)-এর সঙ্গে ৯১৫ কোটি রুপির চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটির অর্থায়নে সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)।

বর্তমানে ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালা রেল কারখানায় কোচগুলো নির্মাণের কাজ চলছে। যদিও ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রকল্পটির কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত হয়েছিল। পরে ২০২৬ সালের মে মাসে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হয়।

এর আগে একই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি ব্রডগেজ এলএইচবি যাত্রীবাহী কোচ, ৩৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ এবং ১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সরবরাহ করা হয়েছিল।

রাইটসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাহুল মিথাল বলেন, বাংলাদেশে ২০০টি নতুন কোচ সরবরাহের এই অর্ডার প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তিনি জানান, প্রথম চালান হিসেবে ২০টি কোচ খুব শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানো হবে।

রাইটস ভারতের রেল মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি রেল, মহাসড়ক, বিমানবন্দর ও নগর পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভারতীয় রেলের রোলিং স্টক রপ্তানির কাজ পরিচালনা করে।

এদিকে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। ২০০৮ সালে চালু হওয়া এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত পেরিয়ে প্রায় ৩৭৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে প্রায় নয় ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছাত। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর ট্রেনটির চলাচল স্থগিত করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা দেওয়া বন্ধ করেছিল ভারত। পরে গত মাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী পর্যটন ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন।

Share this news as a Photo Card