নিউইয়র্ক ০২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকিটের পর এবার ফিফার নতুন ‘ব্যবসা’

  • আপডেটের সময় : ০৫:০৫:২৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের টিকিট, আবাসন ও অন্যান্য সেবার উচ্চমূল্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই নতুন আরেকটি বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এবার তারা ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ব্যবহৃত মাঠের ঘাস সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছে।

আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের মাঠ থেকে সংগ্রহ করা ঘাসের প্রতিটি সংরক্ষিত টুকরোর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫৫ হাজার টাকারও বেশি।

ফিফার অফিসিয়াল স্টোরে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফাইনালে ব্যবহৃত আসল ঘাসের প্রতিটি অংশ বিশেষভাবে সংরক্ষণ করে অ্যাক্রিলিক কেসে রাখা হবে। স্মারকটির সঙ্গে একটি ইউএসবি কীপসেকও যুক্ত থাকবে, যাতে এটি সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ সংস্করণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরোর মাপ ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৫। তবে এই পরিমাপ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটারে—সেটি স্পষ্ট করেনি ফিফা। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে যোগাযোগ করা হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই বিশেষ স্মারক কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হবে। ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এর ডেলিভারি শুরু হবে।

এর আগেই বিশ্বকাপের টিকিটের মূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ফাইনালের সাধারণ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ হাজার ৯৭০ ডলার। অন্যদিকে খাবার ও আতিথেয়তা সুবিধাসহ হসপিটালিটি প্যাকেজের দাম রাখা হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ থেকে ৩৪ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে।

বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সাধারণত এনএফএল ম্যাচের জন্য কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহার করা হয়। তবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে সেখানে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছে। যদিও টুর্নামেন্ট চলাকালে এই মাঠের মান নিয়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচ প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

অবশ্য ম্যাচে ব্যবহৃত মাঠের অংশ বিক্রির উদ্যোগ ফিফার জন্য একেবারে নতুন নয়। এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালের পরও মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠের অংশ বিশেষ নিলামে তুলেছিল বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত ১,১৭১ বার আফটারশক অনুভূত

পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত মেসির ওপরেই ছেড়ে দিলেন স্কালোনি

১১ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

টিকিটের পর এবার ফিফার নতুন ‘ব্যবসা’

আপডেটের সময় : ০৫:০৫:২৮ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের টিকিট, আবাসন ও অন্যান্য সেবার উচ্চমূল্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই নতুন আরেকটি বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এবার তারা ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ব্যবহৃত মাঠের ঘাস সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছে।

আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালের মাঠ থেকে সংগ্রহ করা ঘাসের প্রতিটি সংরক্ষিত টুকরোর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫৫ হাজার টাকারও বেশি।

ফিফার অফিসিয়াল স্টোরে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফাইনালে ব্যবহৃত আসল ঘাসের প্রতিটি অংশ বিশেষভাবে সংরক্ষণ করে অ্যাক্রিলিক কেসে রাখা হবে। স্মারকটির সঙ্গে একটি ইউএসবি কীপসেকও যুক্ত থাকবে, যাতে এটি সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ সংস্করণ হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।

সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরোর মাপ ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৫। তবে এই পরিমাপ ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটারে—সেটি স্পষ্ট করেনি ফিফা। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে যোগাযোগ করা হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই বিশেষ স্মারক কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হবে। ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই এর ডেলিভারি শুরু হবে।

এর আগেই বিশ্বকাপের টিকিটের মূল্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ফাইনালের সাধারণ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ হাজার ৯৭০ ডলার। অন্যদিকে খাবার ও আতিথেয়তা সুবিধাসহ হসপিটালিটি প্যাকেজের দাম রাখা হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ থেকে ৩৪ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে।

বিশ্বকাপের ফাইনালের ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সাধারণত এনএফএল ম্যাচের জন্য কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহার করা হয়। তবে বিশ্বকাপ উপলক্ষে সেখানে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছে। যদিও টুর্নামেন্ট চলাকালে এই মাঠের মান নিয়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচ প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

অবশ্য ম্যাচে ব্যবহৃত মাঠের অংশ বিক্রির উদ্যোগ ফিফার জন্য একেবারে নতুন নয়। এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালের পরও মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠের অংশ বিশেষ নিলামে তুলেছিল বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি।

Share this news as a Photo Card