নিউইয়র্ক ০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০৭:১৭:৩৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই চিকিৎসাসামগ্রীগুলো ব্যবহার উপযোগী ও বাজারজাত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, আলাদা দুটি বিশেষজ্ঞ দল ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা যাবে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম হিসেবে ভেন্টিলেটর মেশিনটি ব্যবহৃত হয়। এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। অন্যদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যায় ব্যবহারোপযোগী হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি বিদ্যুতের সংযোগ ছাড়াই চালানো যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই যন্ত্রগুলোর সফল উৎপাদন শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বহুলাংশে কমে আসবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ডা. মামুন শিবলীসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রকেটের সফল পরীক্ষা চালাল স্পেসএক্স

একই দিনে জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

স্বাস্থ্যসেবায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৭:১৭:৩৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই চিকিৎসাসামগ্রীগুলো ব্যবহার উপযোগী ও বাজারজাত করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, আলাদা দুটি বিশেষজ্ঞ দল ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা যাবে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করবে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম হিসেবে ভেন্টিলেটর মেশিনটি ব্যবহৃত হয়। এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। অন্যদিকে, শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যায় ব্যবহারোপযোগী হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি বিদ্যুতের সংযোগ ছাড়াই চালানো যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই যন্ত্রগুলোর সফল উৎপাদন শুরু হলে বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা বহুলাংশে কমে আসবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রো-ভিসি ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ডা. মামুন শিবলীসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

Share this news as a Photo Card