নিউইয়র্ক ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ, আফগানিস্তানকে বিসিবির চিঠি

  • আপডেটের সময় : ১২:৫৩:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আফগানিস্তানের কাছে হেরে যাওয়া তৃতীয় ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে আফগান অধিনায়ক সোহাইল খান ১১ ওভার বল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানিয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (এসিবি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অভিযোগটি জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হান্নান সরকার। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়াবসাইট ক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘আমরা অধিনায়কের প্রতিবেদনে আম্পায়ারিংয়ের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে লিখেছি এবং বিশেষভাবে আলোচিত (সোহাইল খানের) ১১ ওভারের বিষয়টি (ওয়ানডেতে একজন বোলারের ১০ ওভারের বেশি করার নিয়ম নেই) উল্লেখ করে একটি অতিরিক্ত নোটও যুক্ত করেছি। সাধারণত অধিনায়কের প্রতিবেদনের নির্ধারিত ফর্মে এ ধরনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো জায়গা থাকে না। তাই সিদ্ধান্তগুলোর তালিকার পর অতিরিক্ত নোটটি সংযুক্ত করা হয়েছে।’ 

দুই দফায় ম্যাচ রেফারি ইয়াসির লতিফজাইয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টের। হান্নান বলেন, ‘আফগানিস্তানের অধিনায়ক, যিনি দলের প্রধান মূল বোলারও, তৃতীয় (ওয়ানডে) ম্যাচে ১১ ওভার বোলিং করেছেন। অফিসিয়াল স্কোরারের তথ্য দেখার সুযোগ আমাদের ছিল না। তাই দলের ম্যানেজারের ফোনে ক্রিকইনফোর স্কোরকার্ড দেখে আমরা হিসাব রাখছিলাম। আমাদের নিজস্ব অ্যানালিস্টের রেকর্ড অনুযায়ী, (সোহাইল খান) ইতোমধ্যেই ১০ ওভার বোলিং করে ফেলেছিলেন। বিষয়টি যখন আমাদের নজরে আসে, ততক্ষণে তিনি আরেকটি ওভার শুরু করে দিয়েছেন। সেই ওভার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আম্পায়ারদের বিষয়টি জানাই। তবে ততক্ষণে ওভারটি শেষ হয়ে গিয়েছিল।’ 

ওই ওভারের ফুটেজটি ম্যাচ রেফারির কাছে জমা দিয়েছেন জানিয়ে হান্নান বলেন, ‘অফিসিয়াল স্কোরার সোহাইল খানের বোলিংয়ের হিসাব ১০ ওভার দেখানোয় এই অসংগতি তৈরি হয়েছে। ভুলবশত একটি ওভার অন্য একজন ক্রিকেটারের নামে যোগ করা হয়েছিল, যিনি আসলে কোনো বোলিংই করেননি। ঘটনাটি ছিল এমন যে, ওই ক্রিকেটার নিজের ক্যাপ আম্পায়ারের হাতে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি ক্যাপটি ফেরত নিয়ে নেন এবং তার পরিবর্তে অধিনায়ক (সোহাইল খান) বোলিং করেন। স্কোরার বিষয়টি খেয়াল করেননি। ফলে ওই ওভারটি ভুল করে অন্য ক্রিকেটারের নামে নথিভুক্ত হয়ে যায়।’ 

বিষয়টি নিয়ে বিসিবির এক কর্মকর্তা ক্রিকইনফোকে বলেন, ‘(আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯-বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের) দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কী ঘটছিল, সে বিষয়ে তাদের (এসিবিকে) অবগত করতেই আমরা চিঠি দিয়েছি। পরবর্তীতে আরও সতর্ক থাকার জন্য তাদের সতর্ক করেছি।’

সিরিজের চতুর্থ ম্যাচের পর এলবিডব্লিউ ও কট বিহাইন্ডের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছিল বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। এ নিয়ে দুই দলের কোচিং স্টাফের সদস্যদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরে অবশ্য তারা হাত মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

নিয়মিত বেতন পরিশোধ না করায় কুয়েতে ৮৮৪৯ কোম্পানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিলেন ট্রাম্প

২৫ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ, আফগানিস্তানকে বিসিবির চিঠি

আপডেটের সময় : ১২:৫৩:৫৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আফগানিস্তানের কাছে হেরে যাওয়া তৃতীয় ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে আফগান অধিনায়ক সোহাইল খান ১১ ওভার বল করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানিয়ে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (এসিবি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অভিযোগটি জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হান্নান সরকার। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়াবসাইট ক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘আমরা অধিনায়কের প্রতিবেদনে আম্পায়ারিংয়ের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে লিখেছি এবং বিশেষভাবে আলোচিত (সোহাইল খানের) ১১ ওভারের বিষয়টি (ওয়ানডেতে একজন বোলারের ১০ ওভারের বেশি করার নিয়ম নেই) উল্লেখ করে একটি অতিরিক্ত নোটও যুক্ত করেছি। সাধারণত অধিনায়কের প্রতিবেদনের নির্ধারিত ফর্মে এ ধরনের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য আলাদা কোনো জায়গা থাকে না। তাই সিদ্ধান্তগুলোর তালিকার পর অতিরিক্ত নোটটি সংযুক্ত করা হয়েছে।’ 

দুই দফায় ম্যাচ রেফারি ইয়াসির লতিফজাইয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্টের। হান্নান বলেন, ‘আফগানিস্তানের অধিনায়ক, যিনি দলের প্রধান মূল বোলারও, তৃতীয় (ওয়ানডে) ম্যাচে ১১ ওভার বোলিং করেছেন। অফিসিয়াল স্কোরারের তথ্য দেখার সুযোগ আমাদের ছিল না। তাই দলের ম্যানেজারের ফোনে ক্রিকইনফোর স্কোরকার্ড দেখে আমরা হিসাব রাখছিলাম। আমাদের নিজস্ব অ্যানালিস্টের রেকর্ড অনুযায়ী, (সোহাইল খান) ইতোমধ্যেই ১০ ওভার বোলিং করে ফেলেছিলেন। বিষয়টি যখন আমাদের নজরে আসে, ততক্ষণে তিনি আরেকটি ওভার শুরু করে দিয়েছেন। সেই ওভার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আম্পায়ারদের বিষয়টি জানাই। তবে ততক্ষণে ওভারটি শেষ হয়ে গিয়েছিল।’ 

ওই ওভারের ফুটেজটি ম্যাচ রেফারির কাছে জমা দিয়েছেন জানিয়ে হান্নান বলেন, ‘অফিসিয়াল স্কোরার সোহাইল খানের বোলিংয়ের হিসাব ১০ ওভার দেখানোয় এই অসংগতি তৈরি হয়েছে। ভুলবশত একটি ওভার অন্য একজন ক্রিকেটারের নামে যোগ করা হয়েছিল, যিনি আসলে কোনো বোলিংই করেননি। ঘটনাটি ছিল এমন যে, ওই ক্রিকেটার নিজের ক্যাপ আম্পায়ারের হাতে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি ক্যাপটি ফেরত নিয়ে নেন এবং তার পরিবর্তে অধিনায়ক (সোহাইল খান) বোলিং করেন। স্কোরার বিষয়টি খেয়াল করেননি। ফলে ওই ওভারটি ভুল করে অন্য ক্রিকেটারের নামে নথিভুক্ত হয়ে যায়।’ 

বিষয়টি নিয়ে বিসিবির এক কর্মকর্তা ক্রিকইনফোকে বলেন, ‘(আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯-বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের) দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কী ঘটছিল, সে বিষয়ে তাদের (এসিবিকে) অবগত করতেই আমরা চিঠি দিয়েছি। পরবর্তীতে আরও সতর্ক থাকার জন্য তাদের সতর্ক করেছি।’

সিরিজের চতুর্থ ম্যাচের পর এলবিডব্লিউ ও কট বিহাইন্ডের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছিল বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। এ নিয়ে দুই দলের কোচিং স্টাফের সদস্যদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পরে অবশ্য তারা হাত মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

Share this news as a Photo Card