নিউইয়র্ক ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিয়ান কাপে ভারত-পাকিস্তান খেলছে, অথচ আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ

  • আপডেটের সময় : ০৯:১০:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ২৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

আসিয়ান অঞ্চলের দেশ না হয়েও ভারত-পাকিস্তান আসিয়ান কাপ ফুটবলে খেলছে। অথচ সেখানে আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ। ফিফার টুর্নামেন্ট, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ফুটবল উন্নয়নে ফিফার সভাপতি ইনফান্তিনো আসিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগের কথা গত বছরই জানিয়েছিল। সেটাই এবার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। 

২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ায়। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া খেলছে। চীনেরও খেলার কথা ছিল। কিন্তু চীন নাম প্রত্যাহার করায় পাকিস্তানকে নেওয়া হয়েছে। তবুও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাফুফের একজন নীতি-নির্ধারক একটি সংবাদমাধ্যমকে বাংলাদেশের বিষয়ে জানিয়েছেন, বাফুফে আমন্ত্রণ পায়নি। 

ফুটবলে এত জোয়ার এসেছে, তাহলে কেন বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলো না। ফিফার র‍্যাংকিংয়ে পাকিস্তান ১৯৮ আর বাংলাদেশ ১৮১ নম্বরে। ১৭ ধাপ পিছিয়ে থাকা দেশকে আসিয়ান টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ জানানো হয় আর পাকিস্তানের চেয়ে শীর্ষে অবস্থান করেও আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ। সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। 

পাকিস্তান যেভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিতে পেরেছে সেখানে হয়তো পেরে উঠছে না বাংলাদেশ। ফিফার কাছে পাকিস্তান গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। যে কারণে পাকিস্তানের র‍্যাংকিং গুরুত্ব পায়নি। সম্পর্ক গুরুত্ব পেয়েছে। চীন শক্তিশালী দেশ, র‍্যাংকিংয়ে ৯১। চীনের পরিবর্তে পাকিস্তানকে বিবেচনা করা হয়েছে। অথচ সাফ অঞ্চলে বাংলাদেশ সবার ওপরে। তারপরও গুরুত্ব পায়নি বাংলাদেশ।

কয়দিন আগেও পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন ছিল ভঙ্গুর অবস্থানে। ফিফার নিষেধাজ্ঞাও ছিল। তারা নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছে। কর্মকর্তারা মানসিকতায় পরিবর্তন এনেছে। এএফসি ও ফিফার সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনটা মজবুত করেছে। তবেই না পাকিস্তান গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তান ফুটবল কর্তারা ফিফার অনুষ্ঠানে গিয়ে দেশের কথা মাথায় রাখেন। তারা ফিফার সভাপতির সঙ্গে সেলফি তোলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে না। 

ফিফার কাছ থেকে কীভাবে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে কত বেশি সুযোগ-সুবিধা আদায় করা যায়-সেই মানসিকতা নিয়ে পাকিস্তান কর্মকর্তারা ফিফার অনুষ্ঠানে হাজির হন। আসিয়ান টুর্নামেন্ট থেকে চীন নাম প্রত্যাহার করায় পাকিস্তানকে বিবেচনা করায় সেটাই প্রমাণ করে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

আসিয়ান কাপে ভারত-পাকিস্তান খেলছে, অথচ আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ

আপডেটের সময় : ০৯:১০:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

আসিয়ান অঞ্চলের দেশ না হয়েও ভারত-পাকিস্তান আসিয়ান কাপ ফুটবলে খেলছে। অথচ সেখানে আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ। ফিফার টুর্নামেন্ট, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ফুটবল উন্নয়নে ফিফার সভাপতি ইনফান্তিনো আসিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগের কথা গত বছরই জানিয়েছিল। সেটাই এবার বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। 

২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ইন্দোনেশিয়ায়। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া খেলছে। চীনেরও খেলার কথা ছিল। কিন্তু চীন নাম প্রত্যাহার করায় পাকিস্তানকে নেওয়া হয়েছে। তবুও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বাফুফের একজন নীতি-নির্ধারক একটি সংবাদমাধ্যমকে বাংলাদেশের বিষয়ে জানিয়েছেন, বাফুফে আমন্ত্রণ পায়নি। 

ফুটবলে এত জোয়ার এসেছে, তাহলে কেন বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলো না। ফিফার র‍্যাংকিংয়ে পাকিস্তান ১৯৮ আর বাংলাদেশ ১৮১ নম্বরে। ১৭ ধাপ পিছিয়ে থাকা দেশকে আসিয়ান টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ জানানো হয় আর পাকিস্তানের চেয়ে শীর্ষে অবস্থান করেও আমন্ত্রণ পায় না বাংলাদেশ। সাংগঠনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। 

পাকিস্তান যেভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিতে পেরেছে সেখানে হয়তো পেরে উঠছে না বাংলাদেশ। ফিফার কাছে পাকিস্তান গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। যে কারণে পাকিস্তানের র‍্যাংকিং গুরুত্ব পায়নি। সম্পর্ক গুরুত্ব পেয়েছে। চীন শক্তিশালী দেশ, র‍্যাংকিংয়ে ৯১। চীনের পরিবর্তে পাকিস্তানকে বিবেচনা করা হয়েছে। অথচ সাফ অঞ্চলে বাংলাদেশ সবার ওপরে। তারপরও গুরুত্ব পায়নি বাংলাদেশ।

কয়দিন আগেও পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন ছিল ভঙ্গুর অবস্থানে। ফিফার নিষেধাজ্ঞাও ছিল। তারা নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছে। কর্মকর্তারা মানসিকতায় পরিবর্তন এনেছে। এএফসি ও ফিফার সঙ্গে সম্পর্কের বন্ধনটা মজবুত করেছে। তবেই না পাকিস্তান গুরুত্ব পেয়েছে। পাকিস্তান ফুটবল কর্তারা ফিফার অনুষ্ঠানে গিয়ে দেশের কথা মাথায় রাখেন। তারা ফিফার সভাপতির সঙ্গে সেলফি তোলা নিয়ে ব্যস্ত থাকে না। 

ফিফার কাছ থেকে কীভাবে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে কত বেশি সুযোগ-সুবিধা আদায় করা যায়-সেই মানসিকতা নিয়ে পাকিস্তান কর্মকর্তারা ফিফার অনুষ্ঠানে হাজির হন। আসিয়ান টুর্নামেন্ট থেকে চীন নাম প্রত্যাহার করায় পাকিস্তানকে বিবেচনা করায় সেটাই প্রমাণ করে।

Share this news as a Photo Card