নিউইয়র্ক ০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন শিক্ষাক্রম প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের প্রতিফলন: ড. মাহদী আমিন

  • আপডেটের সময় : ০৩:৩০:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
  • ২৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষাব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রূপকল্প, চিন্তা ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন পাঠ্যবইগুলোকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত পাঠ্যবইগুলোতে লেখার আধিক্য থাকে, কিন্তু ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষার বইটিতে ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও ভিজ্যুয়াল উপাদানের ব্যবহার বেশি থাকবে। যাতে শিক্ষার্থীরা মুখস্থের বদলে আনন্দের মাধ্যমে শিখতে পারে। বইটির শুরুতে দার্শনিক ভিত্তি ও এর বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত ভূমিকা যুক্ত করারও পরামর্শ দেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সমাজে থাকা নেতিবাচক ধারণা বা ট্যাবু দূর করার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীসহ দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীকেই কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হতে হবে। এজন্য প্রতিটি স্কুলে ল্যাব বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে মোটিভেশনাল অধ্যায় যুক্ত করা হবে।

বিগত ফ্যাসিবাদের সময় পাঠ্যপুস্তকে হওয়া ভুল ও ইতিহাসের বিকৃতি সংশোধন প্রসঙ্গে ড. মাহদী আমিন বলেন, ইতিহাসের নির্মোহ বহিঃপ্রকাশ ঘটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ইতিহাসকে নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন নেই; বরং ইতিহাসের প্রতিটি পালাবদলে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও সত্যের সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই লক্ষ্যে মুদ্রণ ও বিতরণের জন্য লজিস্টিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ৩১ কোটি বই মুদ্রণ ও প্রকাশনা শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পরাশক্তিগুলো এখন নিজেদের সীমা বুঝতে শুরু করেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

২৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

নতুন শিক্ষাক্রম প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পের প্রতিফলন: ড. মাহদী আমিন

আপডেটের সময় : ০৩:৩০:১৪ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

শিক্ষাব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রূপকল্প, চিন্তা ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন পাঠ্যবইগুলোকে শিক্ষার্থীদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত পাঠ্যবইগুলোতে লেখার আধিক্য থাকে, কিন্তু ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষার বইটিতে ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও ভিজ্যুয়াল উপাদানের ব্যবহার বেশি থাকবে। যাতে শিক্ষার্থীরা মুখস্থের বদলে আনন্দের মাধ্যমে শিখতে পারে। বইটির শুরুতে দার্শনিক ভিত্তি ও এর বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত ভূমিকা যুক্ত করারও পরামর্শ দেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সমাজে থাকা নেতিবাচক ধারণা বা ট্যাবু দূর করার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীসহ দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীকেই কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হতে হবে। এজন্য প্রতিটি স্কুলে ল্যাব বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে মোটিভেশনাল অধ্যায় যুক্ত করা হবে।

বিগত ফ্যাসিবাদের সময় পাঠ্যপুস্তকে হওয়া ভুল ও ইতিহাসের বিকৃতি সংশোধন প্রসঙ্গে ড. মাহদী আমিন বলেন, ইতিহাসের নির্মোহ বহিঃপ্রকাশ ঘটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ইতিহাসকে নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন নেই; বরং ইতিহাসের প্রতিটি পালাবদলে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও সত্যের সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে তা পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।

আগামী বছরের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই লক্ষ্যে মুদ্রণ ও বিতরণের জন্য লজিস্টিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ৩১ কোটি বই মুদ্রণ ও প্রকাশনা শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

Share this news as a Photo Card