নিউইয়র্ক ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নায়করাজ’ রাজ্জাককে নিয়ে শাকিব খানের আবেগঘন বার্তা

  • আপডেটের সময় : ০৭:০৫:৫৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বাংলা চলচ্চিত্রকে যদি রাজ্য ধরা হয়, তাহলে সেই রাজ্যের রাজা ছিলেন নায়ক রাজ্জাক। আর এ কারণেই জীবদ্দশায় তিনি পেয়েছিলেন ‘নায়করাজ’ উপাধি। ২০১৭ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে পড়ি জমান তিনি। ৯ বছর হচ্ছে তিনি নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া পদচিহ্ন চিরঞ্জীব হয়ে আছে কোটি দর্শকের হৃদয়ে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বরেণ্য অভিনেতার মৃত্যুদিনে দুপুর ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেঘন পোস্টে নায়করাজের স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

পোস্টে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজ রাজ্জাক আঙ্কেলকে হারানোর নয় বছর আজ। তাকে হারানোর শূন্যতা আজও সমানভাবে অনুভব করি। তিনি শুধু একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন না, ছিলেন আমাদের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার এক বিশাল আশ্রয়।

বিশেষ করে তিনি ছিলেন আমার মাথার ওপর ছায়ার মতো জানিয়ে ঢালিউড সুপারস্টার বলেন, স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকদিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন, আমি কেমন আছি, কীসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি! তাকে হারানোর বেদনা আমার কাছে নিজের অভিভাবক হারানোর মতো-খুবই ব্যক্তিগত।

তিনি নেই, কিন্তু তার স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনও আমার পথচলার অনুপ্রেরণা উল্লেখ করে শাকিব লিখেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, নায়করাজ ততদিনই থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের অহংকার হয়ে।

সবশেষে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি আপনাকে। শান্তিতে থাকুন, আমাদের প্রিয় নায়করাজ।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের দক্ষিণ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক। কিশোর বয়স থেকেই মঞ্চনাটকে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৪ সালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকা চলে আসেন। ঢাকা এসে রাজ্জাক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।তিনি সফল অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৭৭ সালে ‘অনন্ত প্রেম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। রাজ্জাক প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। বাংলা ও উর্দু মিলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সেরা অভিনেতা হিসেবে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব

মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৩ হোটেল-রেস্তোরাঁকে শোকজ

২১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

‘নায়করাজ’ রাজ্জাককে নিয়ে শাকিব খানের আবেগঘন বার্তা

আপডেটের সময় : ০৭:০৫:৫৮ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

বাংলা চলচ্চিত্রকে যদি রাজ্য ধরা হয়, তাহলে সেই রাজ্যের রাজা ছিলেন নায়ক রাজ্জাক। আর এ কারণেই জীবদ্দশায় তিনি পেয়েছিলেন ‘নায়করাজ’ উপাধি। ২০১৭ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে পড়ি জমান তিনি। ৯ বছর হচ্ছে তিনি নেই, কিন্তু তার রেখে যাওয়া পদচিহ্ন চিরঞ্জীব হয়ে আছে কোটি দর্শকের হৃদয়ে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বরেণ্য অভিনেতার মৃত্যুদিনে দুপুর ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক আবেঘন পোস্টে নায়করাজের স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

পোস্টে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজ রাজ্জাক আঙ্কেলকে হারানোর নয় বছর আজ। তাকে হারানোর শূন্যতা আজও সমানভাবে অনুভব করি। তিনি শুধু একজন কিংবদন্তি নায়ক ছিলেন না, ছিলেন আমাদের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার এক বিশাল আশ্রয়।

বিশেষ করে তিনি ছিলেন আমার মাথার ওপর ছায়ার মতো জানিয়ে ঢালিউড সুপারস্টার বলেন, স্নেহ দিয়েছেন, আগলে রেখেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। অনেকদিন দেখা না হলেও কীভাবে যেন বুঝে যেতেন, আমি কেমন আছি, কীসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি! তাকে হারানোর বেদনা আমার কাছে নিজের অভিভাবক হারানোর মতো-খুবই ব্যক্তিগত।

তিনি নেই, কিন্তু তার স্নেহ, শিক্ষা ও আশীর্বাদ এখনও আমার পথচলার অনুপ্রেরণা উল্লেখ করে শাকিব লিখেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র যতদিন থাকবে, নায়করাজ ততদিনই থাকবেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের অহংকার হয়ে।

সবশেষে তিনি বলেন, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি আপনাকে। শান্তিতে থাকুন, আমাদের প্রিয় নায়করাজ।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের দক্ষিণ কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক। কিশোর বয়স থেকেই মঞ্চনাটকে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৪ সালে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময় তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকা চলে আসেন। ঢাকা এসে রাজ্জাক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।তিনি সফল অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৭৭ সালে ‘অনন্ত প্রেম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। রাজ্জাক প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। বাংলা ও উর্দু মিলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সেরা অভিনেতা হিসেবে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

Share this news as a Photo Card