নিউইয়র্ক ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

না ফেরার দেশে বিশ্বকাপজয়ী ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফ্রাঙ্কো বারেসি

  • আপডেটের সময় : ০৭:৪০:৫৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৯ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

১৯৮২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছেন ফ্রাঙ্কো বারেসি। ক্লাব ক্যারিয়ারে খেলেছেন শুধু এসি মিলানেই। আজ ৬৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার। এসি মিলান সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তা নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিলানের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্রাঙ্কো বারেসির প্রয়াণে অশ্রুসিক্ত মিলান। তার আদর্শ ও সততা ক্লাবের ডিএনএতে চিরকাল খোদাই করা থাকবে, ঠিক যেমন অমর হয়ে আছে তার ঐতিহ্যবাহী ৬ নম্বর জার্সিটি।’

ইতালির হয়ে ১৯৮২ বিশ্বকাপ জেতেন বারেসি। আশির ও নব্বইয়ের দশকে মিলানের হয়ে তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ (চ্যাম্পিয়নস লিগ) ও ছয়টি ইতালিয়ান লিগ শিরোপাও জেতেন। বারেসি অনেকের চোখেই সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার।

বারেসির মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রকাশ করেনি মিলান। ফুসফুসের টিউমার অপসারণের জন্য ২০২৫ সালের আগস্টে তার একটি অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এর কিছুদিন পরই তিনি বলেছিলেন, ‘সম্পূর্ণ শক্তি ফিরে পেতে আমার একটু সময় লাগবে।’

ত্রাভাগলিয়াতোতে ১৯৬০ সালের ৮ মে জন্ম নেওয়া এই লিজেন্ডারি ডিফেন্ডার কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তার স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।

জানা যায়, মিলানের উপশহরের হিউম্যানিটিস দি রোজ্জানো ক্লিনিকে মারা গেছেন বারেসি। প্রায় এক বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। ফুসফুসের একটি পিণ্ড অপসারণের পর থেকে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান।

শেষবার বারেসিকে জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। ২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকের আগে সান সিরোতে অলিম্পিক মশাল বহন করেছিলেন তিনি। মিলানের সম্মানসূচক ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বারেসি।

বারেসিকে হারিয়ে শোকাহত ফুটবল বিশ্ব। ফুটবলের অন্যতম আইকনিক ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক ছিলেন তিনি, এসি মিলান ও ইতালি উভয়েরই। ১৯৯৭ সালে তিনি অবসর নেওয়ার পর তার ৬ নম্বর জার্সিকেও অবসরে পাঠানো হয়েছিল। তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ ও দুটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ের স্বীকৃতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

জানা যায়, ১৯৮২ বিশ্বকাপে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও ইতালি দলের সদস্য ছিলেন বারেসি। প্রথম বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান ঘরের মাঠে আয়োজিত ১৯৯০ আসরে। সুইপার কিংবা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে মাঠ মাতানো কিংবদন্তি সেবার বিশ্বকাপে অলস্টার দলে নাম লেখান। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে ইতালিকে ফাইনালে তুললেও টাইব্রেকারে গোল করতে পারেননি।

১৯৮০ ও ১৯৮৮ ইউরোয় ইতালি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন বারেসি। তার বড় ভাই জিউসেপ্পে বারেসিও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন ইতালি দলে। ১৯৮০ ইউরোয় দুই ভাই ইতালি দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও ফ্রাঙ্কো বারেসি মাঠে নামার সুযোগ পাননি। বড় টুর্নামেন্টে ওই একবারই দুই ভাই ইতালি জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৬০ সালের মে মাসে লোম্বার্দিতে জন্ম নেওয়া ফ্রাঙ্কিনো ‘ফ্রাঙ্কো’ বারেসি ১৯৭৪ সালে মিলানের বয়সভিত্তিক দলে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই পা রাখেন ক্লাবের মূল দলে। এই মিলানেই ধীরে ধীরে কিংবদন্তি হয়ে ওঠেন বারেসি।

১৮ বছর বয়সেই মিলানের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা বারেসি ২২ বছর বয়সে হন ক্লাবটির অধিনায়ক। নিজের চমৎকার টেকনিক, প্রতিপক্ষের খেলা আগেভাগে বোঝার ক্ষমতা ও নিখুঁত ট্যাকলিংয়ের পাশাপাশি নেতৃত্বের অসাধারণ গুণের জন্য দ্রুতই সবার নজর কাড়েন। মিলানে শুরুতে তাকে ডাকা হতো ‘পিসকিনিন’ (লিটল ওয়ান)। পরে সুইপার পজিশনে কিংবদন্তি হয়ে ওঠায় জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের সঙ্গে মিল রেখে তাকে ডাকা হতো ‘কাইজার ফ্রাঞ্জ।’

মিলানের হয়ে ৭১৯টি ম্যাচ খেলে ১৯৯৭ সালে অবসর নেন কিংবদন্তি। ক্লাবের ইতিহাসে তাঁর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে শুধু পাওলো মালদিনির।

ইতালির জার্সিতে ১২ বছরের ক্যারিয়ারে ৮১ ম্যাচে ১ গোল করেন বারেসি। তবে ১৯৮২ সালে বেঞ্চে বসে বিশ্বকাপ জয়ের পর জাতীয় দলের কোচের সঙ্গে মতভেদের কারণে ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে দলে জায়গা পাননি। ১৯৯০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছিলেন। বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন, রানার্স আপ ও তৃতীয় হওয়া সাতজন ফুটবলারের একজন কিংবদন্তি।

ইতালিয়ান ফুটবলে আশি–নব্বইয়ের দশকে বারেসি সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। মালদিনির মতো কিংবদন্তি থাকতেও কেউ কেউ বারেসিকেই মিলানের ইতিহাসে সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে বিবেচনা করেন। মিলানকে তিনি এতই ভালোবাসতেন যে আর কোনো ক্লাবে যোগ দেননি। এই ক্লাবেই কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের ২০ বছর।

১৯৯৭ সালে অবসর নেওয়ার আগে ১৫ মৌসুম অধিনায়কত্ব করেন মিলানের। ছোট–বড় মিলিয়ে এই ক্লাবের হয়ে ১৯টি শিরোপা জেতেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর বারেসির সম্মানে তার ৬ নম্বর জার্সিটি চিরতরে তুলে রাখার ঘোষণা দেয় মিলান। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই বিরল সম্মান লাভ করেন বারেসি।

বারেসি তার পুরো ক্যারিয়ার কাটান মিলানে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ২০ বছর ক্লাবটির জার্সি পরেছিলেন। তিনি আরিগো সাচ্চির মিলানে অপরিহার্য ছিলেন এবং ফাবিও ক্যাপেলোর অধীনেও দলের প্রধান স্তম্ভ ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

৩৮ বছর পর ফোন করে নিজের দোষ স্বীকার করল খুনি, জট খুলছে রহস্যজনক খুনের

ফিলিস্তিনিদের উৎপাদিত পণ্য অবৈধভাবে ইউরোপে পাচার করছে ইসরায়েল

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

না ফেরার দেশে বিশ্বকাপজয়ী ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফ্রাঙ্কো বারেসি

আপডেটের সময় : ০৭:৪০:৫৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

১৯৮২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছেন ফ্রাঙ্কো বারেসি। ক্লাব ক্যারিয়ারে খেলেছেন শুধু এসি মিলানেই। আজ ৬৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার। এসি মিলান সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তা নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিলানের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্রাঙ্কো বারেসির প্রয়াণে অশ্রুসিক্ত মিলান। তার আদর্শ ও সততা ক্লাবের ডিএনএতে চিরকাল খোদাই করা থাকবে, ঠিক যেমন অমর হয়ে আছে তার ঐতিহ্যবাহী ৬ নম্বর জার্সিটি।’

ইতালির হয়ে ১৯৮২ বিশ্বকাপ জেতেন বারেসি। আশির ও নব্বইয়ের দশকে মিলানের হয়ে তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ (চ্যাম্পিয়নস লিগ) ও ছয়টি ইতালিয়ান লিগ শিরোপাও জেতেন। বারেসি অনেকের চোখেই সর্বকালের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার।

বারেসির মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ প্রকাশ করেনি মিলান। ফুসফুসের টিউমার অপসারণের জন্য ২০২৫ সালের আগস্টে তার একটি অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এর কিছুদিন পরই তিনি বলেছিলেন, ‘সম্পূর্ণ শক্তি ফিরে পেতে আমার একটু সময় লাগবে।’

ত্রাভাগলিয়াতোতে ১৯৬০ সালের ৮ মে জন্ম নেওয়া এই লিজেন্ডারি ডিফেন্ডার কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তার স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।

জানা যায়, মিলানের উপশহরের হিউম্যানিটিস দি রোজ্জানো ক্লিনিকে মারা গেছেন বারেসি। প্রায় এক বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। ফুসফুসের একটি পিণ্ড অপসারণের পর থেকে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান।

শেষবার বারেসিকে জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে। ২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকের আগে সান সিরোতে অলিম্পিক মশাল বহন করেছিলেন তিনি। মিলানের সম্মানসূচক ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন বারেসি।

বারেসিকে হারিয়ে শোকাহত ফুটবল বিশ্ব। ফুটবলের অন্যতম আইকনিক ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক ছিলেন তিনি, এসি মিলান ও ইতালি উভয়েরই। ১৯৯৭ সালে তিনি অবসর নেওয়ার পর তার ৬ নম্বর জার্সিকেও অবসরে পাঠানো হয়েছিল। তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ ও দুটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ের স্বীকৃতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

জানা যায়, ১৯৮২ বিশ্বকাপে মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও ইতালি দলের সদস্য ছিলেন বারেসি। প্রথম বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান ঘরের মাঠে আয়োজিত ১৯৯০ আসরে। সুইপার কিংবা সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে মাঠ মাতানো কিংবদন্তি সেবার বিশ্বকাপে অলস্টার দলে নাম লেখান। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে ইতালিকে ফাইনালে তুললেও টাইব্রেকারে গোল করতে পারেননি।

১৯৮০ ও ১৯৮৮ ইউরোয় ইতালি দলের প্রতিনিধিত্ব করেন বারেসি। তার বড় ভাই জিউসেপ্পে বারেসিও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন ইতালি দলে। ১৯৮০ ইউরোয় দুই ভাই ইতালি দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও ফ্রাঙ্কো বারেসি মাঠে নামার সুযোগ পাননি। বড় টুর্নামেন্টে ওই একবারই দুই ভাই ইতালি জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৬০ সালের মে মাসে লোম্বার্দিতে জন্ম নেওয়া ফ্রাঙ্কিনো ‘ফ্রাঙ্কো’ বারেসি ১৯৭৪ সালে মিলানের বয়সভিত্তিক দলে যোগ দেন। ১৯৭৮ সালে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই পা রাখেন ক্লাবের মূল দলে। এই মিলানেই ধীরে ধীরে কিংবদন্তি হয়ে ওঠেন বারেসি।

১৮ বছর বয়সেই মিলানের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা বারেসি ২২ বছর বয়সে হন ক্লাবটির অধিনায়ক। নিজের চমৎকার টেকনিক, প্রতিপক্ষের খেলা আগেভাগে বোঝার ক্ষমতা ও নিখুঁত ট্যাকলিংয়ের পাশাপাশি নেতৃত্বের অসাধারণ গুণের জন্য দ্রুতই সবার নজর কাড়েন। মিলানে শুরুতে তাকে ডাকা হতো ‘পিসকিনিন’ (লিটল ওয়ান)। পরে সুইপার পজিশনে কিংবদন্তি হয়ে ওঠায় জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ারের সঙ্গে মিল রেখে তাকে ডাকা হতো ‘কাইজার ফ্রাঞ্জ।’

মিলানের হয়ে ৭১৯টি ম্যাচ খেলে ১৯৯৭ সালে অবসর নেন কিংবদন্তি। ক্লাবের ইতিহাসে তাঁর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড রয়েছে শুধু পাওলো মালদিনির।

ইতালির জার্সিতে ১২ বছরের ক্যারিয়ারে ৮১ ম্যাচে ১ গোল করেন বারেসি। তবে ১৯৮২ সালে বেঞ্চে বসে বিশ্বকাপ জয়ের পর জাতীয় দলের কোচের সঙ্গে মতভেদের কারণে ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে দলে জায়গা পাননি। ১৯৯০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছিলেন। বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন, রানার্স আপ ও তৃতীয় হওয়া সাতজন ফুটবলারের একজন কিংবদন্তি।

ইতালিয়ান ফুটবলে আশি–নব্বইয়ের দশকে বারেসি সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন। মালদিনির মতো কিংবদন্তি থাকতেও কেউ কেউ বারেসিকেই মিলানের ইতিহাসে সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে বিবেচনা করেন। মিলানকে তিনি এতই ভালোবাসতেন যে আর কোনো ক্লাবে যোগ দেননি। এই ক্লাবেই কাটিয়েছেন ক্যারিয়ারের ২০ বছর।

১৯৯৭ সালে অবসর নেওয়ার আগে ১৫ মৌসুম অধিনায়কত্ব করেন মিলানের। ছোট–বড় মিলিয়ে এই ক্লাবের হয়ে ১৯টি শিরোপা জেতেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর বারেসির সম্মানে তার ৬ নম্বর জার্সিটি চিরতরে তুলে রাখার ঘোষণা দেয় মিলান। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই বিরল সম্মান লাভ করেন বারেসি।

বারেসি তার পুরো ক্যারিয়ার কাটান মিলানে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ২০ বছর ক্লাবটির জার্সি পরেছিলেন। তিনি আরিগো সাচ্চির মিলানে অপরিহার্য ছিলেন এবং ফাবিও ক্যাপেলোর অধীনেও দলের প্রধান স্তম্ভ ছিলেন।

Share this news as a Photo Card