নিউইয়র্ক ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডেও সহিংস রূপ নিল বিক্ষোভ

  • আপডেটের সময় : ০১:২৬:৫৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সের যুব আন্দোলনের অনুকরণে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে শত শত মানুষের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে অননুমোদিত এসব বিক্ষোভ প্রতিহত করে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) জুরিখের লাংস্ট্রাসে শত শত আন্দোলনকারী জড়ো হন, যাদের অনেকের মুখে হ্যালোইনের মাস্ক ছিল। জনতা প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজের দিকে এগোনোর সময় আতশবাজি ও ফ্লেয়ার ফোটায়।

বিক্ষোভকারীরা স্কোয়ারে পৌঁছালে উত্তেজনা বাড়ে, যেখানে একটি বাস স্টপ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ছোট ছোট দল কয়েকটি স্থানে ডাস্টবিনে ও গাড়িতে আগুন দেয় এবং দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করে।পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ওপর বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর নিয়ে হামলা চালানো হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জবাব দেয়, যা রাত দেড়টা পর্যন্ত চলে। একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে যাওয়া পুলিশ টহল গাড়িও আক্রমণের শিকার হয়, ফলে দুর্ঘটনাকবলিত পা গুরুতর জখম হওয়া এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ পেছাতে বাধ্য হয়।বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে রাত ৯টার দিকে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন বলে কান্টোনাল পুলিশ জানিয়েছে। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে কিছু বিক্ষোভকারী ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন দিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।আয়োজক ও বিক্ষোভকারীরা ফ্রান্সের অসন্তোষের সঙ্গে সাদৃশ্য তুলে ধরেন, আর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ বা ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’ স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ব্যবহৃত এই বাক্যটির মিল রয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে আন্দোলনের একটি থেকে অন্যটির অনুপ্রেরণা নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

সূত্র: উইওন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

ভারতে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইলেন ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উৎসবে বন্দুক হামলা, নিহত ৬

০২ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ফ্রান্সের মতো সুইজারল্যান্ডেও সহিংস রূপ নিল বিক্ষোভ

আপডেটের সময় : ০১:২৬:৫৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

ফ্রান্সের যুব আন্দোলনের অনুকরণে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও বাসেলে শত শত মানুষের বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এতে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে অননুমোদিত এসব বিক্ষোভ প্রতিহত করে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) জুরিখের লাংস্ট্রাসে শত শত আন্দোলনকারী জড়ো হন, যাদের অনেকের মুখে হ্যালোইনের মাস্ক ছিল। জনতা প্রধান রেলওয়ে স্টেশনের কাছের হেলভেটিয়াপ্লাজের দিকে এগোনোর সময় আতশবাজি ও ফ্লেয়ার ফোটায়।

বিক্ষোভকারীরা স্কোয়ারে পৌঁছালে উত্তেজনা বাড়ে, যেখানে একটি বাস স্টপ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ময়লার পাত্র ও সাইকেল দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ছোট ছোট দল কয়েকটি স্থানে ডাস্টবিনে ও গাড়িতে আগুন দেয় এবং দোকানের কাঁচ ভাঙচুর করে।পুলিশ জানিয়েছে, তাদের ওপর বারবার আতশবাজি, বোতল ও পাথর নিয়ে হামলা চালানো হয়। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে জবাব দেয়, যা রাত দেড়টা পর্যন্ত চলে। একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে যাওয়া পুলিশ টহল গাড়িও আক্রমণের শিকার হয়, ফলে দুর্ঘটনাকবলিত পা গুরুতর জখম হওয়া এক কিশোরের কাছে পৌঁছানোর আগেই পুলিশ পেছাতে বাধ্য হয়।বাসেল শহরের কেন্দ্রস্থলে রাত ৯টার দিকে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন বলে কান্টোনাল পুলিশ জানিয়েছে। কয়েকটি বক্তব্যের পর মিছিলটি মিটলেরে রাইনব্রুক অতিক্রম করে মার্কটপ্লাজ হয়ে সেন্ট জোহান জেলায় প্রবেশ করে। সেখানে কিছু বিক্ষোভকারী ডাস্টবিন ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি ব্যারিকেডে আগুন দিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।আয়োজক ও বিক্ষোভকারীরা ফ্রান্সের অসন্তোষের সঙ্গে সাদৃশ্য তুলে ধরেন, আর সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত আহ্বানে ‘জেনজি রেজাল্ট!’ বা ‘জেন জির হাতে নিয়ন্ত্রণ!’ স্লোগানটি ব্যবহার করা হয়। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গেও ব্যবহৃত এই বাক্যটির মিল রয়েছে, যা ইউরোপজুড়ে আন্দোলনের একটি থেকে অন্যটির অনুপ্রেরণা নেওয়ার চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

সূত্র: উইওন।

Share this news as a Photo Card