নিউইয়র্ক ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০৯:৪৮:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সেইসঙ্গে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রাসঙ্গিক নয় বলেও মনে করছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কথা বলছেন এবং সময়ের উল্লেখ করেছেন। তাহলে তাকে ফেরাতে বাধা কোথায়- জানতে চাওয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আদালত একজনকে সাজা দিয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি যিনি বাংলাদেশে অনেক অন্যায়, অত্যাচার ও কুকর্ম করে বিদেশে পালিয়ে আছেন। শেখ হাসিনা কী বলছে না বলছে সেটা প্রাসঙ্গিক না, একেবারেই প্রাসঙ্গিক না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সরকারের সঙ্গে, যেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুরু হয়েছে, সেই কূটনৈতিক চ্যানেল চলমান আছে। আমরা সঠিক চ্যানেলে চেষ্টা করছি। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় আসামিকে যখন ফেরত আনা হয় বা যে প্রটোকল বা নর্মস (মানদন্ড) আছে, সেটা অনুযায়ী ওনাকে এখানে এনে বিচার করা হবে এবং সেটাই তো বাংলাদেশের জনগণ চায়।

শামা ওবায়েদ বলেন, এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে, যে দুর্নীতি, খুন, গুম হয়েছে সেগুলোর একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা ভারতের সরকারের সঙ্গে চলমান আছে। এখন যিনি আসামি তার বক্তব্য প্রাসঙ্গিক না। তাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান আছে। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে, সেটা চলমান আছে। কূটনীতির কোনো ঘাটতি নেই। এটা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় না, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় আছে; তারা এটা নিয়ে কাজ করছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সহযোগিতা না আইনি জটিলতা আছে এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রীর জবাব, আইনি জটিলতা আছে কি নাই সেটা আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুঁটিয়ে দেখবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের যে প্রক্রিয়া চালানো দরকার, সেটা আমরা চালাচ্ছি। সেটাতে কোনো ঘাটতি আমি দেখছি না।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

পরাশক্তিগুলো এখন নিজেদের সীমা বুঝতে শুরু করেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

ইরানকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের আমন্ত্রণ

২৫ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৯:৪৮:২৪ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক ঘাটতি নেই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সেইসঙ্গে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রাসঙ্গিক নয় বলেও মনে করছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কথা বলছেন এবং সময়ের উল্লেখ করেছেন। তাহলে তাকে ফেরাতে বাধা কোথায়- জানতে চাওয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আদালত একজনকে সাজা দিয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি যিনি বাংলাদেশে অনেক অন্যায়, অত্যাচার ও কুকর্ম করে বিদেশে পালিয়ে আছেন। শেখ হাসিনা কী বলছে না বলছে সেটা প্রাসঙ্গিক না, একেবারেই প্রাসঙ্গিক না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সরকারের সঙ্গে, যেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে শুরু হয়েছে, সেই কূটনৈতিক চ্যানেল চলমান আছে। আমরা সঠিক চ্যানেলে চেষ্টা করছি। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় আসামিকে যখন ফেরত আনা হয় বা যে প্রটোকল বা নর্মস (মানদন্ড) আছে, সেটা অনুযায়ী ওনাকে এখানে এনে বিচার করা হবে এবং সেটাই তো বাংলাদেশের জনগণ চায়।

শামা ওবায়েদ বলেন, এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে, যে দুর্নীতি, খুন, গুম হয়েছে সেগুলোর একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা ভারতের সরকারের সঙ্গে চলমান আছে। এখন যিনি আসামি তার বক্তব্য প্রাসঙ্গিক না। তাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান আছে। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে, সেটা চলমান আছে। কূটনীতির কোনো ঘাটতি নেই। এটা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় না, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় আছে; তারা এটা নিয়ে কাজ করছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সহযোগিতা না আইনি জটিলতা আছে এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রীর জবাব, আইনি জটিলতা আছে কি নাই সেটা আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুঁটিয়ে দেখবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের যে প্রক্রিয়া চালানো দরকার, সেটা আমরা চালাচ্ছি। সেটাতে কোনো ঘাটতি আমি দেখছি না।

Share this news as a Photo Card