চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে পরিচিত মো. হারুন (৪৫) ওরফে ‘ডাবা হারুনকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার হওয়া টেস্টার মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদে হারুনের নাম উঠে আসার পর শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার হাঁচি সরদার পাড়ায় অভিযান চালিয়ে হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম খান।
পুলিশ জানায়, হারুন কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর হাঁচি সরদার পাড়ার বদিউল আলমের ছেলে। এলাকায় তিনি ‘ডাবা হারুন’ নামে পরিচিত। পুলিশের দাবি, চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন, কালা মোবারক ও টেস্টের মোবারকের সহযোগী হিসেবে তিনি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
ডেভিড ইমনের সহযোগীদের গ্রেপ্তারে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডেভিড ইমনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।
এর আগে শনিবার সকালে ফটিকছড়িতে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মোহাম্মদ মোবারক হোসেন ওরফে ‘টেস্টার মোবারককে’ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিনি ডেভিড ইমন ও কালা মোবারকের আরেক সহযোগী হিসেবে পরিচিত।
পুলিশ জানায়, টেস্টার মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার সঙ্গে থাকা এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া ডাকাত দলের সদস্যদের নামের মধ্যে ডাবা হারুনের নাম উঠে আসে। এরপরই হারুনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। ডাকাতচক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. রবিউল আলম খান বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সহযোগীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে ডাবা হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ডাবা হারুনের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া টেস্টার মোবারককে জিজ্ঞাসাবাদেও হারুনের নাম উঠে এসেছে।’
ওসি আরও বলেন, কাঞ্চননগরে আলোচিত সাদ্দাম হত্যা মামলাতেও হারুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।


























