নিউইয়র্ক ০৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সালাহর বিরুদ্ধে মিসরে তার আইনজীবীর মামলা, আদালতে হাজিরের নির্দেশ

  • আপডেটের সময় : ০৭:৫৩:০১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
  • ২৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার আনন্দ ফিকে হয়ে আসছে মোহাম্মদ সালাহর। তুরস্কের ত্রাবজোনস্পোরে ক্যারিয়ারের নতুন শুরু করতে না করতেই পুরনো আইনি ঝামেলায় পড়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড। বকেয়া ফি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে সশরীর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মিসরের নিউ কায়রো কোর্ট অব ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এক মামলায় আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সালাহকে আদালতে উপস্থিত হতে হবে। আইনজীবী আমর ফারাগ আল্লাহ মোর্সি আবদেল তাওয়াবের দায়ের করা পাওনা দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এসেছে এ নির্দেশ।

ওই আইনজীবীর দাবি, বিগত বছরগুলোতে তিনি সালাহর পক্ষে বিভিন্ন আইনি, প্রশাসনিক ও পরামর্শমূলক কাজ করেছিলেন। সামলেছিলেন আদালতের নথিপত্রও। কিন্তু এসব কাজের বিপরীতে তার প্রাপ্য বকেয়া ফি পরিশোধ করা হয়নি।

তবে মামলার আরজিতে উল্লিখিত এসব কাজ এবং বকেয়া থাকার দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সালাহ। মিসরীয় তারকার এই অস্বীকৃতির সত্যতা যাচাই করতেই আদালত তাকে সশরীর হাজির হয়ে ‘শপথ’ নেওয়ার আদেশ দেন। মানে তিনি মামলার আরজিতে লিখিতভাবে যা দাবি করেছেন, সেটা সত্যি কি না, তা শপথের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

কিন্তু সালাহ যদি আদালতে হাজির হয়ে শপথ নিতে ব্যর্থ হন কিংবা উপযুক্ত কারণ ছাড়া শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে তাকে ‘শপথ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। সে ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে তিনি দাবি মেনে নিয়েছেন। তখন রায় তার বিরুদ্ধে যেতে পারে। আপাতত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায় স্থগিত রেখেছেন বিচারক।

এই বিরোধের সূত্রপাত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। বকেয়া ফি দাবি করে ওই সময়ে সালাহর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন ওই আইনজীবী। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালে সালাহর দেওয়া একটি সাধারণ অফিশিয়াল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ভিত্তিতে কাজ করতেন তিনি। ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেই ক্ষমতার মেয়াদ বহাল ছিল। পরে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বকেয়া ফি না পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিক ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন এই আইনজীবী।

সম্প্রতি লিভারপুল ছেড়ে তুর্কি ক্লাব ত্রাবজোনস্পোরে যোগ দিয়েছেন সালাহ। ১৫ আগস্ট কাশিমপাশার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার তুর্কি লিগে অভিষেক হতে পারে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর গেনচলেরবিরলিগির বিপক্ষে আবার মাঠে নামার কথা ত্রাবজোনস্পোরের।

ঠিক একই দিনে সালাহকে মিসরের আদালতে সশরীর হাজির হতে বলা হয়েছে। ফলে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের শুরুতেই ভালো ঝামেলায় পড়লেন সালাহ।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

সালাহর বিরুদ্ধে মিসরে তার আইনজীবীর মামলা, আদালতে হাজিরের নির্দেশ

আপডেটের সময় : ০৭:৫৩:০১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার আনন্দ ফিকে হয়ে আসছে মোহাম্মদ সালাহর। তুরস্কের ত্রাবজোনস্পোরে ক্যারিয়ারের নতুন শুরু করতে না করতেই পুরনো আইনি ঝামেলায় পড়েছেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড। বকেয়া ফি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে সশরীর আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মিসরের নিউ কায়রো কোর্ট অব ফার্স্ট ইনস্ট্যান্স।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এক মামলায় আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সালাহকে আদালতে উপস্থিত হতে হবে। আইনজীবী আমর ফারাগ আল্লাহ মোর্সি আবদেল তাওয়াবের দায়ের করা পাওনা দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এসেছে এ নির্দেশ।

ওই আইনজীবীর দাবি, বিগত বছরগুলোতে তিনি সালাহর পক্ষে বিভিন্ন আইনি, প্রশাসনিক ও পরামর্শমূলক কাজ করেছিলেন। সামলেছিলেন আদালতের নথিপত্রও। কিন্তু এসব কাজের বিপরীতে তার প্রাপ্য বকেয়া ফি পরিশোধ করা হয়নি।

তবে মামলার আরজিতে উল্লিখিত এসব কাজ এবং বকেয়া থাকার দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সালাহ। মিসরীয় তারকার এই অস্বীকৃতির সত্যতা যাচাই করতেই আদালত তাকে সশরীর হাজির হয়ে ‘শপথ’ নেওয়ার আদেশ দেন। মানে তিনি মামলার আরজিতে লিখিতভাবে যা দাবি করেছেন, সেটা সত্যি কি না, তা শপথের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।

কিন্তু সালাহ যদি আদালতে হাজির হয়ে শপথ নিতে ব্যর্থ হন কিংবা উপযুক্ত কারণ ছাড়া শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে তাকে ‘শপথ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তি’ হিসেবে গণ্য করা হবে। সে ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে তিনি দাবি মেনে নিয়েছেন। তখন রায় তার বিরুদ্ধে যেতে পারে। আপাতত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রায় স্থগিত রেখেছেন বিচারক।

এই বিরোধের সূত্রপাত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। বকেয়া ফি দাবি করে ওই সময়ে সালাহর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন ওই আইনজীবী। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালে সালাহর দেওয়া একটি সাধারণ অফিশিয়াল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ভিত্তিতে কাজ করতেন তিনি। ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেই ক্ষমতার মেয়াদ বহাল ছিল। পরে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বকেয়া ফি না পাওয়ায় আর্থিক ও মানসিক ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন এই আইনজীবী।

সম্প্রতি লিভারপুল ছেড়ে তুর্কি ক্লাব ত্রাবজোনস্পোরে যোগ দিয়েছেন সালাহ। ১৫ আগস্ট কাশিমপাশার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার তুর্কি লিগে অভিষেক হতে পারে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর গেনচলেরবিরলিগির বিপক্ষে আবার মাঠে নামার কথা ত্রাবজোনস্পোরের।

ঠিক একই দিনে সালাহকে মিসরের আদালতে সশরীর হাজির হতে বলা হয়েছে। ফলে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের শুরুতেই ভালো ঝামেলায় পড়লেন সালাহ।

Share this news as a Photo Card