নিউইয়র্ক ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০৯:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই কর্মস্থল কাছাকাছি, একই স্থানে, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে ৪৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার এরই মধ্যে কাজ করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার। এ ছাড়া আরও ২০টি ডে-কেয়ার অর্থাৎ মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার এ মুহূর্তে ঢাকা শহর এবং ঢাকার বাইরে আমরা পরিচালনা করছি।

তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জন্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে এরই মধ্যে ৪ হাজার ৫০টি ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের অফিস চলাকালীন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও আমাদের আছে। আরও ১১টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ ছাড়া আরও ১২টি কিছুদিনের মধ্যে করতে পারব। অর্থাৎ ৬৪টিতেই ব্রেস্টফিডিংয়ের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

আজ আইফোন ১৮ উন্মোচন করবে অ্যাপল, আসছে নতুন ওয়াচ-এয়ারপডসও

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৯:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই কর্মস্থল কাছাকাছি, একই স্থানে, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে ৪৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার এরই মধ্যে কাজ করছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার। এ ছাড়া আরও ২০টি ডে-কেয়ার অর্থাৎ মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার এ মুহূর্তে ঢাকা শহর এবং ঢাকার বাইরে আমরা পরিচালনা করছি।

তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জন্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এসব ডে-কেয়ার সেন্টারে এরই মধ্যে ৪ হাজার ৫০টি ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের অফিস চলাকালীন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মরত মায়েদের জন্য ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও আমাদের আছে। আরও ১১টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ ছাড়া আরও ১২টি কিছুদিনের মধ্যে করতে পারব। অর্থাৎ ৬৪টিতেই ব্রেস্টফিডিংয়ের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা হবে।

Share this news as a Photo Card