নিউইয়র্ক ০৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথম দেখায় কোহলিকে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স

  • আপডেটের সময় : ০২:৩৩:২৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট মাঠে বেশ আগ্রাসী মেজাজে থাকেন বিরাট কোহলি। যার কারণে অনেকেই ভারতের এই মহাতারকাকে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ করেন। প্রথম দেখায় কোহলিকে ঠিক তেমনটায় মনে করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স।

দীর্ঘ সময় আইপিএলে একই দলে খেলেছেন কোহলি-ডি ভিলিয়ার্স। সম্প্রতি প্রখর গুপ্তর একটি পডকাস্টে কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতিচারণা করেছেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানেই ভারতীয় তারকাকে নিয়ে তার প্রথম ধারণার কথা জানিয়েছেন এই প্রোটিয়া কিংবদন্তি।

ডি ভিলিয়ার্সকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কোহলিকে প্রথম দেখায় সত্যিই কি অহংকারী ও দাম্ভিক মনে হয়েছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট করে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘হ্যাঁ। আমার মনে হয়, সে–‍ও (কোহলি) এ ব্যাপারে একমত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওর (কোহলি) মধ্যে আত্মবিশ্বাস ছিল প্রচুর। ও সব সময় এভাবেই ক্রিকেট খেলেছে। কখনো কখনো মানুষ সেটাকে ভুল বোঝে। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। প্রথম দেখায় ওকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল।’

কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের সেই স্মৃতি রসিকতার সুরে ভিলিয়ার্স বলেন, ‘এটা ছিল আমার প্রথম ধারণা। আমি যখন কথাটা বলি, তখন একটু মজা করেই বলি। তবে আমার মনে হয়, কোহলিও এতে একমত হবে। ১৯, ২০ কিংবা ২১ বছর বয়সে ও ছিল প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী এক তরুণ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কথা বলছি।’

ডি ভিলিয়ার্স অবশ্য কোহলির সেই আত্মবিশ্বাসের মধ্যে খারাপ কিছু দেখেন না। বরং তার মতে, বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠার জন্য এমন আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। সাবেক এই প্রোটিয়া ক্রিকেটার বলেন, ‘বড় সাফল্য পেতে হলে এমন আত্মবিশ্বাস দরকার। নিজের সামর্থ্যের ওপর প্রবল বিশ্বাস থাকতে হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শুধু শেখে, কীভাবে সেই আত্মবিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।’ 

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে কোহলি অনেক ওপরে উঠেছেন বলে মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর সেই ব্যাপারটা কমে এসেছে। মানুষ ও ক্রিকেটার হিসেবে ও আরও পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয়, তরুণ বয়সে ওর অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তাগিদও কমেছে। অন্যদের সামনে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখানোর প্রয়োজনীয়তাও আর অনুভব করেনি। এভাবেই ও বদলে গেছে।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্সে একদিনে গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

১৯ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

প্রথম দেখায় কোহলিকে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ মনে করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স

আপডেটের সময় : ০২:৩৩:২৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ক্রিকেট মাঠে বেশ আগ্রাসী মেজাজে থাকেন বিরাট কোহলি। যার কারণে অনেকেই ভারতের এই মহাতারকাকে ‘অহংকারী ও দাম্ভিক’ করেন। প্রথম দেখায় কোহলিকে ঠিক তেমনটায় মনে করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স।

দীর্ঘ সময় আইপিএলে একই দলে খেলেছেন কোহলি-ডি ভিলিয়ার্স। সম্প্রতি প্রখর গুপ্তর একটি পডকাস্টে কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের স্মৃতিচারণা করেছেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানেই ভারতীয় তারকাকে নিয়ে তার প্রথম ধারণার কথা জানিয়েছেন এই প্রোটিয়া কিংবদন্তি।

ডি ভিলিয়ার্সকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কোহলিকে প্রথম দেখায় সত্যিই কি অহংকারী ও দাম্ভিক মনে হয়েছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট করে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘হ্যাঁ। আমার মনে হয়, সে–‍ও (কোহলি) এ ব্যাপারে একমত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওর (কোহলি) মধ্যে আত্মবিশ্বাস ছিল প্রচুর। ও সব সময় এভাবেই ক্রিকেট খেলেছে। কখনো কখনো মানুষ সেটাকে ভুল বোঝে। আমার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। প্রথম দেখায় ওকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল।’

কোহলির সঙ্গে প্রথম পরিচয়ের সেই স্মৃতি রসিকতার সুরে ভিলিয়ার্স বলেন, ‘এটা ছিল আমার প্রথম ধারণা। আমি যখন কথাটা বলি, তখন একটু মজা করেই বলি। তবে আমার মনে হয়, কোহলিও এতে একমত হবে। ১৯, ২০ কিংবা ২১ বছর বয়সে ও ছিল প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী এক তরুণ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কথা বলছি।’

ডি ভিলিয়ার্স অবশ্য কোহলির সেই আত্মবিশ্বাসের মধ্যে খারাপ কিছু দেখেন না। বরং তার মতে, বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠার জন্য এমন আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। সাবেক এই প্রোটিয়া ক্রিকেটার বলেন, ‘বড় সাফল্য পেতে হলে এমন আত্মবিশ্বাস দরকার। নিজের সামর্থ্যের ওপর প্রবল বিশ্বাস থাকতে হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ শুধু শেখে, কীভাবে সেই আত্মবিশ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।’ 

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে কোহলি অনেক ওপরে উঠেছেন বলে মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর সেই ব্যাপারটা কমে এসেছে। মানুষ ও ক্রিকেটার হিসেবে ও আরও পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে। আমার মনে হয়, তরুণ বয়সে ওর অনেক কিছু প্রমাণ করার ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তাগিদও কমেছে। অন্যদের সামনে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখানোর প্রয়োজনীয়তাও আর অনুভব করেনি। এভাবেই ও বদলে গেছে।’

Share this news as a Photo Card