নিউইয়র্ক ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের ফলাফল বানচালে এবার গুরুতর ইস্যু সামনে আনছে নেতানিয়াহুর দল

  • আপডেটের সময় : ০২:২৮:১৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। আরব রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে অবৈধভাবে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তাদের ওপর নজরদারি চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে দলটি। নির্বাচনের আগে দেশটির উচ্চ আদালত এ ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিলেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) টাইমস অব ইসরায়েলকে এ তথ্য জানিয়েছেন লিকুদের আইনজীবী।

গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আরব দলগুলো কারচুপির মাধ্যমে জয় পেয়েছে বলে বারবার অভিযোগ করে আসছেন নেতানিয়াহু ও তার বিদায়ী জোটের নেতারা। নির্বাচনে আরব ভোটারদের রেকর্ড অংশগ্রহণের কারণে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় নেতানিয়াহুর জোট। এরপর থেকেই ঘুষ, ভয়ভীতি দেখানো, জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে আসছে দলটি।

লিকুদের আইনজীবী ইলান বোমবাখ টাইমস অব ইসরায়েলকে বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে থাকা দলের পর্যবেক্ষকেরা অভিযোগ করেছেন, আরব দলগুলোর কর্মীরা স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এ বিষয়ে তারা প্রায় ৭০০টি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বোমবাখের দাবি, প্রতিটি অভিযোগের সঙ্গে শত শত, এমনকি হাজার হাজার ভোটের বিষয় জড়িত।

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম চালানোর কারণে আরব দলগুলো অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে পুরো নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করা হবে, নাকি নির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। জেরুজালেম জেলা আদালতে এ আপিল করার পরিকল্পনা রয়েছে লিকুদের। তবে আবেদনের শেষ সময় ১৭ নভেম্বর হওয়ায় এর আগে আপিল করার সম্ভাবনা কম।

অন্যদিকে, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক পাঠানো সংগঠন ‘সিভিলিয়ান ইলেকশন গার্ড’ ভোটার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে অ্যাপ ব্যবহারের ৩৭৪টি সম্ভাব্য অনিয়মের তথ্য পেয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনার সবচেয়ে বেশি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে লিকুদের কর্মী ও ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। মোট ঘটনার ৩২ শতাংশের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ তালিকায় এরপর রয়েছে ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ১০ শতাংশ, শাস ৬ শতাংশ, রা’আম ২ শতাংশ এবং জয়েন্ট লিস্ট ১ শতাংশ।

নির্বাচনের ১০ দিন আগে উচ্চ আদালত ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন লিকুদের কয়েকজন মন্ত্রী। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে লিকুদ ও অতি-ধর্মীয় দলগুলো এ ধরনের তথ্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে। আদালতে দলটির আইনজীবীরা বলেছিলেন, অ্যাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে নির্বাচনের দিন তাঁদের সাংগঠনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।

বোমবাখ জানান, নির্বাচনি জালিয়াতির অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তাধীন আরও দুটি ঘটনাও আপিলের বিষয় হতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতির ওপর এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। শুক্রবার চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে চলমান দুটি তদন্তই এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

প্রথম ঘটনাটি রা’আমের পক্ষে ভোট দিতে ভোটারদের ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগসংক্রান্ত। নির্বাচনের দিন সকালে এ ঘটনায় তিন বেদুইন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে নতুন কোনো প্রমাণ না পাওয়া গেলে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যে আটক সন্দেহভাজনদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় অভিযোগটি জয়েন্ট লিস্টের পক্ষে বিদেশি অর্থায়ন নিয়ে। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ ঘটনায় কাতারের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছিল। তবে চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত পুলিশের কাছে যে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে, তাতে কাতারের কোনো উল্লেখ নেই। বরং সংশ্লিষ্ট অর্থ পশ্চিম তীর থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর পেছনে কারা রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তদন্তের বিষয়টি সামনে এনে লিকুদ ও বিদায়ী জোটের অন্য দলগুলো বুধবার প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের কাছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ফল ঘোষণা ও হস্তান্তর পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান নোয়াম সোলবার্গ বলেন, তদন্তাধীন অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলেও সেগুলো নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো গুরুতর নয়। একই সঙ্গে আরব ভোটারদের ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।

কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রেসিডেন্ট হারজোগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন তিনি।

এ প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল ইয়াশারের নেতা গাদি আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষে মত দেন ৬৭ জন সংসদ সদস্য। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেন ৪৬ জন। সাতটি আসন পাওয়া ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম কোনো পক্ষের প্রতিই সমর্থন জানায়নি। এর মধ্য দিয়ে নেতানিয়াহুর প্রতি দলটির দীর্ঘদিনের সমর্থনে ছেদ পড়ল।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘পরাজিত ব্যক্তি’ বলতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ব্রিফিং ছাড়লেন ট্রাম্প

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরানের কেশম দ্বীপ

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

নির্বাচনের ফলাফল বানচালে এবার গুরুতর ইস্যু সামনে আনছে নেতানিয়াহুর দল

আপডেটের সময় : ০২:২৮:১৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। আরব রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে অবৈধভাবে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তাদের ওপর নজরদারি চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে দলটি। নির্বাচনের আগে দেশটির উচ্চ আদালত এ ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিলেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) টাইমস অব ইসরায়েলকে এ তথ্য জানিয়েছেন লিকুদের আইনজীবী।

গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আরব দলগুলো কারচুপির মাধ্যমে জয় পেয়েছে বলে বারবার অভিযোগ করে আসছেন নেতানিয়াহু ও তার বিদায়ী জোটের নেতারা। নির্বাচনে আরব ভোটারদের রেকর্ড অংশগ্রহণের কারণে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় নেতানিয়াহুর জোট। এরপর থেকেই ঘুষ, ভয়ভীতি দেখানো, জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে আসছে দলটি।

লিকুদের আইনজীবী ইলান বোমবাখ টাইমস অব ইসরায়েলকে বলেন, নির্বাচনের দিন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে থাকা দলের পর্যবেক্ষকেরা অভিযোগ করেছেন, আরব দলগুলোর কর্মীরা স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এ বিষয়ে তারা প্রায় ৭০০টি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বোমবাখের দাবি, প্রতিটি অভিযোগের সঙ্গে শত শত, এমনকি হাজার হাজার ভোটের বিষয় জড়িত।

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এ ধরনের কার্যক্রম চালানোর কারণে আরব দলগুলো অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে পুরো নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করা হবে, নাকি নির্দিষ্ট কিছু অনিয়মের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। জেরুজালেম জেলা আদালতে এ আপিল করার পরিকল্পনা রয়েছে লিকুদের। তবে আবেদনের শেষ সময় ১৭ নভেম্বর হওয়ায় এর আগে আপিল করার সম্ভাবনা কম।

অন্যদিকে, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রগুলোতে স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক পাঠানো সংগঠন ‘সিভিলিয়ান ইলেকশন গার্ড’ ভোটার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে অ্যাপ ব্যবহারের ৩৭৪টি সম্ভাব্য অনিয়মের তথ্য পেয়েছে।

সংগঠনটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনার সবচেয়ে বেশি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে লিকুদের কর্মী ও ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। মোট ঘটনার ৩২ শতাংশের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ তালিকায় এরপর রয়েছে ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ১০ শতাংশ, শাস ৬ শতাংশ, রা’আম ২ শতাংশ এবং জয়েন্ট লিস্ট ১ শতাংশ।

নির্বাচনের ১০ দিন আগে উচ্চ আদালত ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণে এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেন। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন লিকুদের কয়েকজন মন্ত্রী। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে লিকুদ ও অতি-ধর্মীয় দলগুলো এ ধরনের তথ্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছে। আদালতে দলটির আইনজীবীরা বলেছিলেন, অ্যাপ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে নির্বাচনের দিন তাঁদের সাংগঠনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।

বোমবাখ জানান, নির্বাচনি জালিয়াতির অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তাধীন আরও দুটি ঘটনাও আপিলের বিষয় হতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতির ওপর এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। শুক্রবার চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে চলমান দুটি তদন্তই এখন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

প্রথম ঘটনাটি রা’আমের পক্ষে ভোট দিতে ভোটারদের ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগসংক্রান্ত। নির্বাচনের দিন সকালে এ ঘটনায় তিন বেদুইন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে নতুন কোনো প্রমাণ না পাওয়া গেলে মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যে আটক সন্দেহভাজনদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় অভিযোগটি জয়েন্ট লিস্টের পক্ষে বিদেশি অর্থায়ন নিয়ে। প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ ঘটনায় কাতারের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছিল। তবে চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত পুলিশের কাছে যে গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে, তাতে কাতারের কোনো উল্লেখ নেই। বরং সংশ্লিষ্ট অর্থ পশ্চিম তীর থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর পেছনে কারা রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তদন্তের বিষয়টি সামনে এনে লিকুদ ও বিদায়ী জোটের অন্য দলগুলো বুধবার প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের কাছে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ফল ঘোষণা ও হস্তান্তর পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান নোয়াম সোলবার্গ বলেন, তদন্তাধীন অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলেও সেগুলো নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো গুরুতর নয়। একই সঙ্গে আরব ভোটারদের ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করার প্রবণতারও সমালোচনা করেন তিনি।

কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রেসিডেন্ট হারজোগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন তিনি।

এ প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল ইয়াশারের নেতা গাদি আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষে মত দেন ৬৭ জন সংসদ সদস্য। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে সুপারিশ করেন ৪৬ জন। সাতটি আসন পাওয়া ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম কোনো পক্ষের প্রতিই সমর্থন জানায়নি। এর মধ্য দিয়ে নেতানিয়াহুর প্রতি দলটির দীর্ঘদিনের সমর্থনে ছেদ পড়ল।

Share this news as a Photo Card