নিউইয়র্ক ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : ০৪:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ২৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাস মহামারির সময় ভুয়া করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন ও নানা প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির।

ওসি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পল্লবী থানার অনুরোধে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের এক মাস পর জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অস্ত্র, মানি লন্ডারিংসহ মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।

করোনা মহামারির সময়, ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এর নয় দিন পর, ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরও আগে, ২০১০ সালে চেক জালিয়াতির একটি মামলায় তার ছয় মাসের সাজা হয়েছিল।

সাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৩৫টি মামলার মধ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলাও রয়েছে। ওই মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ভারতে বাংলাদেশের মতো ‘পরিস্থিতি’ তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস: বিজেপি

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে ৫ শিশুসহ ২৮ জন নিহত

০৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার

আপডেটের সময় : ০৪:৩৩:৫১ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

করোনাভাইরাস মহামারির সময় ভুয়া করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন ও নানা প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির।

ওসি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পল্লবী থানার অনুরোধে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে পল্লবী থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের এক মাস পর জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অস্ত্র, মানি লন্ডারিংসহ মোট ৩৫টি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে তিনি মুক্তি পান।

করোনা মহামারির সময়, ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এর নয় দিন পর, ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরও আগে, ২০১০ সালে চেক জালিয়াতির একটি মামলায় তার ছয় মাসের সাজা হয়েছিল।

সাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৩৫টি মামলার মধ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলাও রয়েছে। ওই মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছিলেন।

Share this news as a Photo Card