নিউইয়র্ক ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ জিততে ভারতকে মাঠের বাউন্ডারি বড় করার পরামর্শ

  • আপডেটের সময় : ০৮:১০:০৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে প্রস্তুতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ের বড় মাঠের কথা মাথায় রেখে ভারতের মাঠগুলোর বাউন্ডারি বড় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গাভাস্কারের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে হতে চলেছে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোর অধিকাংশ মাঠে বাউন্ডারি তুলনামূলক বড় হওয়ায় ভারতীয় ব্যাটারদের এখন থেকেই সে ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, “ভারতের মাটিতে সিরিজ চলাকালে মাঠের বাউন্ডারি বড় করা দরকার। তাহলে বিশ্বকাপে বড় মাঠে খেলতে গিয়ে ব্যাটারদের সমস্যা হবে না।”

কীভাবে মাঠের আকার বাড়ানো সম্ভব, সে বিষয়েও মত দিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক। তার মতে, বাউন্ডারি লাইনের পাশে থাকা এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ড ও এর পেছনের খালি জায়গা ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠের কার্যকর পরিসর বাড়ানো যেতে পারে।

গাভাস্কার বলেন, “বাউন্ডারির পাশে এলইডি বোর্ডের জন্য অনেক জায়গা রাখা হয়। এর পেছনেও কিছু জায়গা থাকে। সেই অংশ ব্যবহার করা গেলে মাঠ আরও বড় করা সম্ভব।”

বিশ্বকাপে ভারতীয় ব্যাটারদের কৌশলগত ব্যাটিংয়ের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি বোলারের বিপক্ষে একই ধরনের আক্রমণাত্মক মানসিকতা দেখানোর পরিবর্তে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করতে হবে।

গাভাস্কার বলেন, “বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে হবে। কোন বোলারকে আক্রমণ করা হবে আর কাকে সম্মান দেওয়া হবে, সেটা আগে ঠিক করতে হবে। একটি দলের সব বোলার একই মানের হয় না।”

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়ানডেতে রান তোলার সুযোগ অনেক বেশি থাকে। তাই নির্দিষ্ট সময়কে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত ব্যাটিং করলে বড় রান তাড়া করাও সম্ভব।

তার ভাষায়, “টি-টোয়েন্টিতে ৮ থেকে ১২ ওভারের মতো আক্রমণের সুযোগ থাকে। ওয়ানডেতে সেই সুযোগ ২০ থেকে ২৫ ওভার পর্যন্ত বিস্তৃত। সেটি কাজে লাগাতে পারলে ৩৮০ রানও তাড়া করা সম্ভব।”

শট নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়েও সতর্ক করেছেন গাভাস্কার। তিনি মনে করেন, টি-টোয়েন্টির মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও অপ্রচলিত শটের ওপর নির্ভর না করে ওয়ানডেতে ক্রিকেটীয় শট খেলেই বড় ইনিংস গড়া সম্ভব।

তিনি বলেন, “শট নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলের গুণাগুণ বুঝে খেলতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে অনেক অস্বাভাবিক শট খেলে রান করা যায়, কিন্তু ওয়ানডেতে তার প্রয়োজন নেই। সঠিক ক্রিকেটীয় শট খেলেই বড় স্কোর করা সম্ভব।”

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বিশ্বের সবচেয়ে উচুঁ টাওয়ার বানাচ্ছে সৌদি আরব

বাক্সের ভেতর মিলল ৫ নবজাতকের দেহাবশেষ

৩০ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

বিশ্বকাপ জিততে ভারতকে মাঠের বাউন্ডারি বড় করার পরামর্শ

আপডেটের সময় : ০৮:১০:০৮ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে প্রস্তুতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন কিংবদন্তি ব্যাটার সুনীল গাভাস্কার। দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ের বড় মাঠের কথা মাথায় রেখে ভারতের মাঠগুলোর বাউন্ডারি বড় করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গাভাস্কারের মতে, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে হতে চলেছে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।বিশ্বকাপের ভেন্যুগুলোর অধিকাংশ মাঠে বাউন্ডারি তুলনামূলক বড় হওয়ায় ভারতীয় ব্যাটারদের এখন থেকেই সে ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, “ভারতের মাটিতে সিরিজ চলাকালে মাঠের বাউন্ডারি বড় করা দরকার। তাহলে বিশ্বকাপে বড় মাঠে খেলতে গিয়ে ব্যাটারদের সমস্যা হবে না।”

কীভাবে মাঠের আকার বাড়ানো সম্ভব, সে বিষয়েও মত দিয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক। তার মতে, বাউন্ডারি লাইনের পাশে থাকা এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ড ও এর পেছনের খালি জায়গা ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠের কার্যকর পরিসর বাড়ানো যেতে পারে।

গাভাস্কার বলেন, “বাউন্ডারির পাশে এলইডি বোর্ডের জন্য অনেক জায়গা রাখা হয়। এর পেছনেও কিছু জায়গা থাকে। সেই অংশ ব্যবহার করা গেলে মাঠ আরও বড় করা সম্ভব।”

বিশ্বকাপে ভারতীয় ব্যাটারদের কৌশলগত ব্যাটিংয়ের ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, প্রতিটি বোলারের বিপক্ষে একই ধরনের আক্রমণাত্মক মানসিকতা দেখানোর পরিবর্তে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করতে হবে।

গাভাস্কার বলেন, “বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলতে হবে। কোন বোলারকে আক্রমণ করা হবে আর কাকে সম্মান দেওয়া হবে, সেটা আগে ঠিক করতে হবে। একটি দলের সব বোলার একই মানের হয় না।”

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়ানডেতে রান তোলার সুযোগ অনেক বেশি থাকে। তাই নির্দিষ্ট সময়কে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত ব্যাটিং করলে বড় রান তাড়া করাও সম্ভব।

তার ভাষায়, “টি-টোয়েন্টিতে ৮ থেকে ১২ ওভারের মতো আক্রমণের সুযোগ থাকে। ওয়ানডেতে সেই সুযোগ ২০ থেকে ২৫ ওভার পর্যন্ত বিস্তৃত। সেটি কাজে লাগাতে পারলে ৩৮০ রানও তাড়া করা সম্ভব।”

শট নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়েও সতর্ক করেছেন গাভাস্কার। তিনি মনে করেন, টি-টোয়েন্টির মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও অপ্রচলিত শটের ওপর নির্ভর না করে ওয়ানডেতে ক্রিকেটীয় শট খেলেই বড় ইনিংস গড়া সম্ভব।

তিনি বলেন, “শট নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলের গুণাগুণ বুঝে খেলতে হবে। টি-টোয়েন্টিতে অনেক অস্বাভাবিক শট খেলে রান করা যায়, কিন্তু ওয়ানডেতে তার প্রয়োজন নেই। সঠিক ক্রিকেটীয় শট খেলেই বড় স্কোর করা সম্ভব।”

Share this news as a Photo Card