উত্তর কোরিয়ার দুই যুদ্ধবন্দিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তরের খবর প্রকাশ এবং গোপনীয়তার চুক্তি অস্বীকার করায় ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও ক্ষমা প্রার্থনা চেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির কার্যালয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির জনসংযোগ বিষয়ক সিনিয়র সচিব সং ঘি-হং এক বিবৃতিতে জানানয, গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তি সত্ত্বেও ইউক্রেনের একতরফা তথ্য প্রকাশ এবং চুক্তি অস্বীকারের বিষয়ে সিউল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছে। প্রয়োজন হলে সিউল এই বিষয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বন্দিদের দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর বিষয়টি গোপন রাখার আবেদন ইউক্রেন নিজেই বিভিন্ন মাধ্যমে বারবার করে এসেছিল। কেননা বন্দি বিনিময়ের সুযোগ নষ্টের অভিযোগে কিয়েভ নিজ দেশে সমালোচনার মুখে পড়তে পারত। কূটনৈতিক, সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে সিউল গোপনীয়তা বজায় রাখতে রাজি হয়েছিল।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করার সময় বন্দি হওয়া উত্তর কোরিয়ার দুই সেনাকে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরপরই চুক্তি ভঙ্গের জন্য কিয়েভের কঠোর সমালোচনা করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং।
কিয়েভের এমন ভূমিকায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সিউল সতর্ক করেছে। ইউক্রেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চল থেকে উত্তর কোরিয়ার এই দুই সেনাকে জীবিত আটক করেছিল। পরবর্তীতে ওই বন্দিরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।সূত্র: সিএনএন



















