নিউইয়র্ক ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একইসঙ্গে পুতিনকে সমর্থন ও ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

  • আপডেটের সময় : ০৩:১০:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

তাইওয়ানকে সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে তাইওয়ান প্রণালিতে ওয়াশিংটন উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উত্তর কোরিয়া।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ-এর এক মন্তব্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক কিম মিয়ং চোল দাবি করেন, মার্কিন নীতি এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।

তাইওয়ানে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধবিমান পৌঁছানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে কেসিএনএ জানায়, ‘তাইওয়ানের সুরক্ষার জন্য চীনের জাতীয় শক্তির মুখোমুখি হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত কিনা এবং এর পরিণতি তারা সামলাতে পারবে কিনা তা ওয়াশিংটনের দু’বার ভাবা উচিত।’ ২০১৯ সালে অর্ডার করা ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রথম দুটি গত সপ্তাহে তাইওয়ানে পৌঁছেছে, যা বেইজিংয়ের সম্ভাব্য সামরিক হুমকির জবাবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়ে কিম বলেন, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়ার ‘ন্যায্য যুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবে।

যদিও বার্তায় ইউক্রেন যুদ্ধের কথা সরাসরি বলা হয়নি, তবে ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসেব অনুযায়ী ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়াকে সহায়তা করতে উত্তর কোরিয়া আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ও কিমের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় বরখাস্ত ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি জাকারিয়া

১৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

একইসঙ্গে পুতিনকে সমর্থন ও ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি উত্তর কোরিয়ার

আপডেটের সময় : ০৩:১০:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

তাইওয়ানকে সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে তাইওয়ান প্রণালিতে ওয়াশিংটন উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উত্তর কোরিয়া।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ-এর এক মন্তব্যে আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক কিম মিয়ং চোল দাবি করেন, মার্কিন নীতি এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।

তাইওয়ানে মার্কিন নির্মিত যুদ্ধবিমান পৌঁছানোর তীব্র নিন্দা জানিয়ে কেসিএনএ জানায়, ‘তাইওয়ানের সুরক্ষার জন্য চীনের জাতীয় শক্তির মুখোমুখি হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত কিনা এবং এর পরিণতি তারা সামলাতে পারবে কিনা তা ওয়াশিংটনের দু’বার ভাবা উচিত।’ ২০১৯ সালে অর্ডার করা ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক ৭০ যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রথম দুটি গত সপ্তাহে তাইওয়ানে পৌঁছেছে, যা বেইজিংয়ের সম্ভাব্য সামরিক হুমকির জবাবে সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়ে কিম বলেন, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়ার ‘ন্যায্য যুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করবে।

যদিও বার্তায় ইউক্রেন যুদ্ধের কথা সরাসরি বলা হয়নি, তবে ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসেব অনুযায়ী ২০২৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়াকে সহায়তা করতে উত্তর কোরিয়া আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে পুতিন ও কিমের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে পিয়ংইয়ং ও মস্কোর বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Share this news as a Photo Card