‘টক্সিক’ সিনেমার ট্রেলার ও গান প্রকাশের পর থেকেই ইয়াশ ও কিয়ারা আদভানীর অনস্ক্রিন রসায়ন নিয়ে চর্চা চলছে নেটদুনিয়ায়। তবে কিয়ারা ও তারা সুতারিয়ার সঙ্গে ইয়াশের বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এবং অভিনেতার নগ্ন রূপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও এসব দৃশ্য নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে ইয়াশের দাবি-সিনেমায় কোনো অশালীনতা রাখা হয়নি।
আপকি আদালতে হাজির হয়ে রজত শর্মার প্রশ্নে অভিনেতা বলেন, ‘অশালীনতা মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়। আপনারা ভালো করে দেখলে বুঝবেন, আমি তো কিস পর্যন্ত করিনি। সব কিছুরই একটা সীমা আছে, আমরা সেটা বুঝি।’
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য পর্দায় কিভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, সে বিষয়েও কথা বলেন ইয়াশ। তার মতে, এ ধরনের দৃশ্যও নান্দনিকভাবে ক্যামেরাবন্দি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ‘বিষয়গুলো সুন্দরভাবে ক্যামেরাবন্দি করতে হয়।’ ইয়াশ মনে করেন, কোনো দৃশ্যকে নান্দনিক ও সুন্দরভাবে উপস্থাপনের দায়িত্ব নির্মাতার।
তার ভাষ্যে, ‘টক্সিক’ মূলত নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই উদার মন নিয়ে সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখলেই এর পূর্ণ স্বাদ পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেতা।
এর আগে ‘টক্সিক’-এর ‘তাবাহী’ গানের ভিডিও প্রকাশের পর ইয়াশ ও কিয়ারার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এমনকি কিয়ারার ব্যক্তিজীবন নিয়েও কটাক্ষ করেন কেউ কেউ। সেই সমালোচনার সময় অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ইয়াশ।
সিনেমার ট্রেলার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ইয়াশ বলেন, দর্শক সেখানে কিয়ারার চরিত্রের খুব সামান্য অংশই দেখেছেন। পুরো সিনেমায় তার অভিনয় আরো বেশি নজর কাড়বে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে কিয়ারার নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের প্রশংসা করেন এই অভিনেতা।
সমালোচনা প্রসঙ্গে ইয়াশ বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে অনেক সময় নানা ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু সেগুলো নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই। নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। মানুষ শেষ পর্যন্ত সেই কাজেরই প্রশংসা করবে। হয়তো আমরা সময়ের থেকে একটু এগিয়ে আছি।’


























