খুলনার চাঞ্চল্যকর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেন হত্যা মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে হাসনাত হাবিব রিফাত হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এসআরবি ও পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে খুলনা ও বরিশাল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হাসনাত হাবিব রিফাত, তারেক হাসান ওরফে রুবেল ও প্রতাপ সরকার।
গ্রেপ্তার হাসনাত হাবিব রিফাত সিরাজগঞ্জ সদর থানার গুনেরগাতি এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি কৃষি ব্যাংকের নওয়াপাড়া শাখায় কর্মরত। তারেক হাসান ওরফে রুবেল হরিণটানা থানার খানজাহান নগর এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। আর প্রতাপ সরকার অভয়নগর উপজেলার ধূলগ্রাম সিদ্দিপাশা গ্রামের শিবপদ সরকারের ছেলে।
এদের মধ্যে হাসানাত হাবিব রিফাত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক ইব্রাহিম খলিল মুহিম।
এসআরবি জানায়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আজমুল হত্যার অন্যতম আসামি রিফাত। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা ও বরিশাল এসআরবির যৌথ দল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।
সূত্রটি আরও জানায়, ঘটনার সময় রিফাত আজমুলকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুস বিক্রেতা তারেক হাসান ওরফে রুবেলকে মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা গেটসংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি আরও জানায়, রুবেলও আজমুল হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে ‘চোর চোর’ চিৎকার শুনে তিনি সেখানে এগিয়ে যান। এ সময় আজমুলকে কয়েকটি লাথি ও কিল-ঘুষি মারেন। পরে রুবেলকে হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করে এসআরবি।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আজমুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরিশালের উজিরপুর থানা এলাকা থেকে অপর আসামি প্রতাপ সরকারকে গ্রেপ্তার করে।
কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতাপের অবস্থান নিশ্চিত হয় গোয়েন্দা পুলিশের। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে খুলনা গোয়েন্দা কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এদিকে হরিণটানা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. রাসেল হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ৩ আসামির মধ্যে রিফাত হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালত তাকে খুলনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুক্রবার গভীর রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি চারতলা ভবনের ছাদে ভাত চুরির অভিযোগে আজমুলকে পেটানো হয়। পরবর্তীতে ওই ভবনের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাতে নিহত আজমুলের বাবা কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ ব্যক্তিকে আসামি করে হরিণটানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন রবিন, মুবিন, সাগর ও ওবাইদুল। তবে মামলার এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।এসআরবি ও পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার হাসনাত হাবিব রিফাত সিরাজগঞ্জ সদর থানার গুনেরগাতি এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি কৃষি ব্যাংকের নওয়াপাড়া শাখায় কর্মরত। তারেক হাসান ওরফে রুবেল হরিণটানা থানার খানজাহান নগর এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। আর প্রতাপ সরকার অভয়নগর উপজেলার ধূলগ্রাম সিদ্দিপাশা গ্রামের শিবপদ সরকারের ছেলে।
এদের মধ্যে হাসানাত হাবিব রিফাত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক ইব্রাহিম খলিল মুহিম।
এসআরবি জানায়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আজমুল হত্যার অন্যতম আসামি রিফাত। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা ও বরিশাল এসআরবির যৌথ দল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার কুড়িয়ানা আদাবাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন।
জানা যায়, ঘটনার সময় রিফাত আজমুলকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুস বিক্রেতা তারেক হাসান ওরফে রুবেলকে মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের খাজা গেটসংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি আরও জানায়, রুবেলও আজমুল হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে ‘চোর চোর’ চিৎকার শুনে তিনি সেখানে এগিয়ে যান। এ সময় আজমুলকে কয়েকটি লাথি ও কিল-ঘুষি মারেন। পরে রুবেলকে হরিণটানা থানায় হস্তান্তর করে এসআরবি।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আজমুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরিশালের উজিরপুর থানা এলাকা থেকে অপর আসামি প্রতাপ সরকারকে গ্রেপ্তার করে।
কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতাপের অবস্থান নিশ্চিত হয় গোয়েন্দা পুলিশের। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে খুলনা গোয়েন্দা কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এদিকে হরিণটানা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. রাসেল হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ৩ আসামির মধ্যে রিফাত হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালত তাকে খুলনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুক্রবার গভীর রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কের একটি চারতলা ভবনের ছাদে ভাত চুরির অভিযোগে আজমুলকে পেটানো হয়। পরবর্তীতে ওই ভবনের ছাদ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় শনিবার রাতে নিহত আজমুলের বাবা কুতুবউদ্দিন বাদী হয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ ব্যক্তিকে আসামি করে হরিণটানা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন রবিন, মুবিন, সাগর ও ওবাইদুল। তবে মামলার এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।


























