সৌদি আরব আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিলেই কেবল দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি কার্যকর হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে এই কর্মসূচির আওতায় সৌদি আরবের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনো সুযোগ থাকবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, চুক্তিটি শুধুমাত্র বেসামরিক উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের জন্য। বর্তমানে ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের এ ধরনের সুবিধা রয়েছে। তবে সৌদি আরবের ক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার ওপর।
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির বিরোধী নয়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে একটি সমঝোতা হয়। এর আওতায় আমেরিকান প্রযুক্তি ব্যবহার করে সৌদি আরব ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও পারমাণবিক চুল্লি নির্মাণ করতে পারবে। ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র যে কঠোর জাতিসংঘ পরিদর্শনের শর্ত দিয়েছিল, সৌদি আরবের ক্ষেত্রে সেই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
তবে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি গ্রহণযোগ্য রূপরেখা না পেলে তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে না।
২০২০ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শুরু হয় এই চুক্তি। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েকটি আরব দেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য নেওয়া হয়। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে।
এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান এই অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়েছে। সৌদি আরব অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে তারা এতে অংশ নেবে না।
সূত্র: বিবিসি



















