নিউইয়র্ক ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০৪:১৮:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে আমাদের  মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী এবং খুলনা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিল পাঠানো হয়- এমনকি চোরা কারবারিরা ড্রোনের মাধ্যমেও ইয়াবা পাঠানো হচ্ছে। এটি এক ধরনের আগ্রাসন, যার ফলে সন্ত্রাস বাড়ছে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে মানবতাবিরোধী মহাযজ্ঞ চলেছে। প্রশাসনকে এমনভাবে দলীয়করণ করা হয়েছিল যে, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি তারই বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। আবর্জনা পরিষ্কার করতে সরকারকে সময় দিতে হবে। একটি ঘুণে ধরা সমাজব্যবস্থাকে পরিষ্কার করার কাজ চলছে।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাস দমনে সরকার ক্রসফায়ারের পথে যাবে না। দেশে বিদ্যমান আইন দিয়েই সন্ত্রাস দমন সম্ভব। এরপরও আইনের পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে।

মানবাধিকার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আইনে মানবাধিকার কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিটি যাতে নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য স্পিকারকে প্রধান করা হয়েছে। একমাত্র বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনকেই ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অপরাধের বিষয়েও কমিশন তদন্ত করতে পারবে।

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিচারপ্রার্থী মানুষ যাতে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পান, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাইবার সুরক্ষা ও অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এখন থেকে মাদক ও জুয়া-সংক্রান্ত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কাশ্মীরে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ইন্টারনেট

ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০৪:১৮:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে আমাদের  মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী এবং খুলনা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেনসিডিল পাঠানো হয়- এমনকি চোরা কারবারিরা ড্রোনের মাধ্যমেও ইয়াবা পাঠানো হচ্ছে। এটি এক ধরনের আগ্রাসন, যার ফলে সন্ত্রাস বাড়ছে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে মানবতাবিরোধী মহাযজ্ঞ চলেছে। প্রশাসনকে এমনভাবে দলীয়করণ করা হয়েছিল যে, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি তারই বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। আবর্জনা পরিষ্কার করতে সরকারকে সময় দিতে হবে। একটি ঘুণে ধরা সমাজব্যবস্থাকে পরিষ্কার করার কাজ চলছে।

সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, সন্ত্রাস দমনে সরকার ক্রসফায়ারের পথে যাবে না। দেশে বিদ্যমান আইন দিয়েই সন্ত্রাস দমন সম্ভব। এরপরও আইনের পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে।

মানবাধিকার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আইনে মানবাধিকার কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিটি যাতে নিরপেক্ষ হয়, সে জন্য স্পিকারকে প্রধান করা হয়েছে। একমাত্র বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশনকেই ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা অপরাধের বিষয়েও কমিশন তদন্ত করতে পারবে।

জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিচারপ্রার্থী মানুষ যাতে দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পান, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সাইবার সুরক্ষা ও অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এখন থেকে মাদক ও জুয়া-সংক্রান্ত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Share this news as a Photo Card