নিউইয়র্ক ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাকাশে খিচুড়ি না গেলেও পৌঁছে গেলো মুগ ডালের হালুয়া

  • আপডেটের সময় : ০৮:০১:৪৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পা রেখে ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা।

মহাকাশে যাওয়ার সময় দেশের স্বাদ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ঠিকই শুভাংশু। তবে সেটা পোলাও কিংবা খিচুড়ি নয়, বরং মহাকাশের পরীক্ষায় পাস করে ঠাঁই পেয়েছিল মাত্র তিনটি খাবার মুগ ডালের হালুয়া, গাজরের হালুয়া, ও আমরস। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিআরডিও-র অধীনস্থ ডিফেন্স ফুড রিসার্চ ল্যাবরেটরি মহাকাশের জন্য বেশ কয়েকটি ভারতীয় পদের তালিকা প্রস্তুত করলেও জিরো গ্র্যাভিটিতে খাদ্যের গুণমান, স্থায়িত্ব ও সুরক্ষার কঠিন পরীক্ষায় কেবল এই তিন পদই টিকে যায়। 

তবে কঠোর পরীক্ষার কারণে খিচুড়ি বা বিভিন্ন সবজির পদ শেষ পর্যন্ত মহাকাশে পাঠানোর অনুমোদন পায়নি বলে জানান শুভাংশু।

তবে মহাকাশে ভারতীয় খাবার পৌঁছালেও নিজে সেটি চেখে দেখার সুযোগ পাননি শুভাংশু। হাসতে হাসতে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও জাপানের সহ-মহাকাশচারীরা আগেই তা চেটেপুটে খেয়ে শেষ করেন। তবে মহাকাশে বন্ধুদের সঙ্গে এই খাবার ভাগ করে নিতে পেরে তিনি আনন্দিত।

শুভাংশু জানান, মাইক্রোগ্র্যাভিটির কারণে মহাকাশে শরীরের তরল ওপরের দিকে উঠে যায় এবং নাক বন্ধ থাকে, ফলে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ কমে যায়। মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরতেই অ্যাক্সিওম স্পেসের সার্জন তাকে চিপসের প্যাকেট দিলেও, ভারতীয় ফ্লাইট সার্জন এনেছিলেন কলার চিপস, বাকরবাড়ি ও শুকনো কচুরি। 

জানা যায়, মহাকাশ থেকে ফিরে প্রথম দেশীয় খাবার হিসেবে শুকনো কচুরি খেয়েই তৃপ্তি লাভ করেন বলে জানান শুভাংশু।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় বরখাস্ত ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি জাকারিয়া

১৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মহাকাশে খিচুড়ি না গেলেও পৌঁছে গেলো মুগ ডালের হালুয়া

আপডেটের সময় : ০৮:০১:৪৯ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পা রেখে ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা।

মহাকাশে যাওয়ার সময় দেশের স্বাদ সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন ঠিকই শুভাংশু। তবে সেটা পোলাও কিংবা খিচুড়ি নয়, বরং মহাকাশের পরীক্ষায় পাস করে ঠাঁই পেয়েছিল মাত্র তিনটি খাবার মুগ ডালের হালুয়া, গাজরের হালুয়া, ও আমরস। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিআরডিও-র অধীনস্থ ডিফেন্স ফুড রিসার্চ ল্যাবরেটরি মহাকাশের জন্য বেশ কয়েকটি ভারতীয় পদের তালিকা প্রস্তুত করলেও জিরো গ্র্যাভিটিতে খাদ্যের গুণমান, স্থায়িত্ব ও সুরক্ষার কঠিন পরীক্ষায় কেবল এই তিন পদই টিকে যায়। 

তবে কঠোর পরীক্ষার কারণে খিচুড়ি বা বিভিন্ন সবজির পদ শেষ পর্যন্ত মহাকাশে পাঠানোর অনুমোদন পায়নি বলে জানান শুভাংশু।

তবে মহাকাশে ভারতীয় খাবার পৌঁছালেও নিজে সেটি চেখে দেখার সুযোগ পাননি শুভাংশু। হাসতে হাসতে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও জাপানের সহ-মহাকাশচারীরা আগেই তা চেটেপুটে খেয়ে শেষ করেন। তবে মহাকাশে বন্ধুদের সঙ্গে এই খাবার ভাগ করে নিতে পেরে তিনি আনন্দিত।

শুভাংশু জানান, মাইক্রোগ্র্যাভিটির কারণে মহাকাশে শরীরের তরল ওপরের দিকে উঠে যায় এবং নাক বন্ধ থাকে, ফলে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ কমে যায়। মিশন শেষে পৃথিবীতে ফিরতেই অ্যাক্সিওম স্পেসের সার্জন তাকে চিপসের প্যাকেট দিলেও, ভারতীয় ফ্লাইট সার্জন এনেছিলেন কলার চিপস, বাকরবাড়ি ও শুকনো কচুরি। 

জানা যায়, মহাকাশ থেকে ফিরে প্রথম দেশীয় খাবার হিসেবে শুকনো কচুরি খেয়েই তৃপ্তি লাভ করেন বলে জানান শুভাংশু।

Share this news as a Photo Card