নিউইয়র্ক ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামুনের সঙ্গে প্রেম সাবিলার, দাবি প্রেমিকার

  • আপডেটের সময় : ০১:৫০:২৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি বা ডিওপি) আবদুল মামুন।

সাবিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কারণেই নিজের সাত বছরের প্রেম ও বিয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভেঙে গেছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মামুনের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশা। তবে এ বিষয়ে সাবিলা নূর, নেহাল তাহের কিংবা আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তিশা গণমাধ্যমকে জানান, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শাকিব খানের মতো শীর্ষ তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি নিজেই বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন।

কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার পর মামুন হঠাৎ জানিয়ে দেন যে তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কারণ জানতে চাইলেও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাননি তিশা। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

তিশা বলেন, ‘যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মামুনকে তার পরিবারের সদস্যরাও বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি।

‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা ও মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে বলে তিশার দাবি। তিনি বলেন, শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই এই সম্পর্কের বিষয়টি জানেন। এ ঘটনার পর থেকে মামুনের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

তিশা আক্ষেপ করে বলেন, ‘ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।’

তিশা জানান, তার পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজে তাতে সম্মতি দেননি। তবে কেন শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙল, সে বিষয়ে মামুনের কাছ থেকে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি পাননি।

এদিকে সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়েও সম্প্রতি নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারা আলাদা থাকছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবিলা নূর ও শাকিব খানকে নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজের সূত্রে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এলেও এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ মেলেনি। ‘রকস্টার’ সিনেমার পরিচালক আজমান রুশোকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়ার কথা জানান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও এলপিজি ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করছে ইরান

মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় বরখাস্ত ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি জাকারিয়া

১৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

মামুনের সঙ্গে প্রেম সাবিলার, দাবি প্রেমিকার

আপডেটের সময় : ০১:৫০:২৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জনের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন চিত্রগ্রাহক (ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি বা ডিওপি) আবদুল মামুন।

সাবিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কারণেই নিজের সাত বছরের প্রেম ও বিয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি ভেঙে গেছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মামুনের দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশা। তবে এ বিষয়ে সাবিলা নূর, নেহাল তাহের কিংবা আবদুল মামুনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তিশা গণমাধ্যমকে জানান, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শাকিব খানের মতো শীর্ষ তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি নিজেই বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন।

কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার পর মামুন হঠাৎ জানিয়ে দেন যে তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কারণ জানতে চাইলেও স্পষ্ট কোনো উত্তর পাননি তিশা। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন যে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

তিশা বলেন, ‘যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মামুনকে তার পরিবারের সদস্যরাও বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি।

‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা ও মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে বলে তিশার দাবি। তিনি বলেন, শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই এই সম্পর্কের বিষয়টি জানেন। এ ঘটনার পর থেকে মামুনের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।

তিশা আক্ষেপ করে বলেন, ‘ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।’

তিশা জানান, তার পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজে তাতে সম্মতি দেননি। তবে কেন শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙল, সে বিষয়ে মামুনের কাছ থেকে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি পাননি।

এদিকে সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়েও সম্প্রতি নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এবং তারা আলাদা থাকছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবিলা নূর ও শাকিব খানকে নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজের সূত্রে তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এলেও এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ মেলেনি। ‘রকস্টার’ সিনেমার পরিচালক আজমান রুশোকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়ার কথা জানান।

Share this news as a Photo Card