নিউইয়র্ক ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ১২:৩২:২৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

গণমাধ্যমকর্মীদের কোনও আইনের আওতায় আনার প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। সাংবাদিকরা যাতে অবাধে কাজ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই সরকারের লক্ষ্য। 

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এটি অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অপতথ্য, গুজব বন্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না।

ইয়াসের খান বলেন, একই সঙ্গে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন, অর্থাৎ ভুল, অসত্য ও অপতথ্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পর্যায়ে পরামর্শ করছে। সাংবাদিক নেতা ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের বিস্তার বন্ধ করা। তবে সেটা কোন পর্যায়ে এবং কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একটি প্রস্তাব এসেছে, নিবন্ধিত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট বা অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের যদি আইনের আওতায় আনতে হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আনা হবে। আমরা এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড নিয়ে কাজ করছে সরকার। টেলিভিশন সাংবাদিকদের একটি বেতন কাঠামোয় আনা উচিৎ। এটি নিয়ে কাজ চলছে, দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করা হবে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক। শ্রম মন্ত্রণালয় এটি বাস্তবায়নকারী। অফিশিয়ালি বা ব্যক্তিগতভাবে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মেয়েকে শেখাচ্ছিলেন ড্রাইভিং, সেই গাড়ির ধাক্কাতেই প্রাণ গেল বাবার

বাংলাদেশকে নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি দিতে পারবে না কাতার এনার্জি

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ১২:৩২:২৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গণমাধ্যমকর্মীদের কোনও আইনের আওতায় আনার প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। সাংবাদিকরা যাতে অবাধে কাজ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই এই সরকারের লক্ষ্য। 

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এটি অব্যাহত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অপতথ্য, গুজব বন্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গণমাধ্যমকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না।

ইয়াসের খান বলেন, একই সঙ্গে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন, অর্থাৎ ভুল, অসত্য ও অপতথ্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পর্যায়ে পরামর্শ করছে। সাংবাদিক নেতা ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের বিস্তার বন্ধ করা। তবে সেটা কোন পর্যায়ে এবং কীভাবে করা হবে, তা নিয়ে আমরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছি।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, একটি প্রস্তাব এসেছে, নিবন্ধিত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট বা অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের যদি আইনের আওতায় আনতে হয়, তাহলে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আনা হবে। আমরা এই প্রস্তাবটি বিবেচনা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড নিয়ে কাজ করছে সরকার। টেলিভিশন সাংবাদিকদের একটি বেতন কাঠামোয় আনা উচিৎ। এটি নিয়ে কাজ চলছে, দ্রুততম সময়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করা হবে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক। শ্রম মন্ত্রণালয় এটি বাস্তবায়নকারী। অফিশিয়ালি বা ব্যক্তিগতভাবে তাদের সাথে যোগাযোগ করা হবে।

Share this news as a Photo Card