নিউইয়র্ক ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হারানো আইফোন বন্ধ থাকলেও খুঁজে পাওয়ার উপায়

  • আপডেটের সময় : ০৮:৩১:০৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া আইফোন বন্ধ দেখালে ব্যবহারকারীরা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে অ্যাপলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কিছু সেটিংস আগে থেকেই চালু রাখলে ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

যে সেটিংসগুলো আগে থেকেই চালু রাখতে হবে

সেটিংস থেকে নিজের নামে ঢুকে ‘ফাইন্ড মাই’ মেনুতে গিয়ে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ এবং ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’ দুটোই চালু রাখতে হবে। ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক আশপাশের অন্য অ্যাপল ডিভাইসের ব্লুটুথ ব্যবহার করে অফলাইন অবস্থায়ও ফোনের লোকেশন বের করতে সাহায্য করে। একই জায়গায় ‘সেন্ড লাস্ট লোকেশন’ অপশনটিও চালু রাখা ভালো। এতে ব্যাটারি শেষ হওয়ার আগে ফোন তার শেষ অবস্থানের তথ্য অ্যাপলের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এছাড়া লোকেশন সার্ভিস এবং ব্লুটুথ অবশ্যই চালু থাকতে হবে। ফোনের লোকেশন গত সাত দিনের মধ্যে অন্তত একবার ফাইন্ড মাইতে আপডেট হয়ে থাকাও জরুরি।

সেটিংস ঠিকমতো কাজ করছে কি না বুঝতে ফোনের উপরের ডান দিক থেকে নিচে সোয়াইপ করে পাওয়ার আইকন চেপে ধরুন। পাওয়ার-অফ স্ক্রিনে “আইফোন ফাইন্ডেবল আফটার পাওয়ার অফ” লেখা দেখলে বোঝা যাবে, ফোন বন্ধ হওয়ার পরও সেটি শনাক্ত করা যাবে।

চুরি হলে যে সেটিংস কাজে আসবে

লক থাকা অবস্থায় কেউ যেন কন্ট্রোল সেন্টার খুলে এয়ারপ্লেন মোড চালু করে ফোনকে অফলাইনে নিতে না পারে, সেজন্য সেটিংস > ফেইস আইডি অ্যান্ড পাসকোড > অ্যালাউ অ্যাকসেস হোয়েন লকড মেনুতে গিয়ে ‘কন্ট্রোল সেন্টার’ অপশনটি বন্ধ করে রাখুন। এতে লক স্ক্রিন থেকে সহজে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

বন্ধ আইফোন কতক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায়?

এই সুবিধা আইফোন ১১ বা তার পরের মডেলে এবং আইওএস ১৫ বা তার পরের সংস্করণে কাজ করে। তবে আইফোন এসই ও ই সিরিজের কিছু মডেলে এটি সাপোর্ট করে না। চার্জ থাকা অবস্থায় ম্যানুয়ালি ফোন বন্ধ করলে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লোকেশন শনাক্ত করা সম্ভব। ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেলেও আইওএস ১৫.২ বা পরবর্তী সংস্করণে থাকা সামঞ্জস্যপূর্ণ আইফোন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত কম শক্তির ব্লুটুথ সিগন্যাল পাঠাতে পারে। এই সময় ফোন আশপাশের অন্য অ্যাপল ডিভাইসের মাধ্যমে তার অবস্থান জানিয়ে দেয়।

এরপর ফাইন্ড মাইতে সর্বশেষ শনাক্ত হওয়া লোকেশন সর্বোচ্চ সাত দিন পর্যন্ত দেখা যায়। সাত দিনের বেশি সময় কোনো আপডেট না এলে সাধারণত “নো লোকেশন ফাউন্ড” মেসেজ আসে।

ফোন খুঁজে না পেলে অন্য কোনো অ্যাপল ডিভাইস বা ফাইন্ড মাই ওয়েবসাইট থেকে সেটিকে লস্ট মোডে রাখা যায়। তখন ফোন আবার চালু হলে মালিকের দেওয়া বার্তা লক স্ক্রিনে দেখা যাবে। স্টোলেন ডিভাইস প্রোটেকশন চালু থাকলে লস্ট মোড বন্ধ করতে ফেইস আইডি বা টাচ আইডি লাগবে। তাই ফোন বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার সময় ছাড়া সাধারণত ফাইন্ড মাই বন্ধ না রাখাই নিরাপদ।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

ফিলিপাইনে ফেরিতে ভয়াবহ আগুনে ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৮৬

ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু করল বার্সেলোনা

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

হারানো আইফোন বন্ধ থাকলেও খুঁজে পাওয়ার উপায়

আপডেটের সময় : ০৮:৩১:০৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া আইফোন বন্ধ দেখালে ব্যবহারকারীরা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে অ্যাপলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কিছু সেটিংস আগে থেকেই চালু রাখলে ফোন বন্ধ হয়ে গেলেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব।

যে সেটিংসগুলো আগে থেকেই চালু রাখতে হবে

সেটিংস থেকে নিজের নামে ঢুকে ‘ফাইন্ড মাই’ মেনুতে গিয়ে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ এবং ‘ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক’ দুটোই চালু রাখতে হবে। ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্ক আশপাশের অন্য অ্যাপল ডিভাইসের ব্লুটুথ ব্যবহার করে অফলাইন অবস্থায়ও ফোনের লোকেশন বের করতে সাহায্য করে। একই জায়গায় ‘সেন্ড লাস্ট লোকেশন’ অপশনটিও চালু রাখা ভালো। এতে ব্যাটারি শেষ হওয়ার আগে ফোন তার শেষ অবস্থানের তথ্য অ্যাপলের কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এছাড়া লোকেশন সার্ভিস এবং ব্লুটুথ অবশ্যই চালু থাকতে হবে। ফোনের লোকেশন গত সাত দিনের মধ্যে অন্তত একবার ফাইন্ড মাইতে আপডেট হয়ে থাকাও জরুরি।

সেটিংস ঠিকমতো কাজ করছে কি না বুঝতে ফোনের উপরের ডান দিক থেকে নিচে সোয়াইপ করে পাওয়ার আইকন চেপে ধরুন। পাওয়ার-অফ স্ক্রিনে “আইফোন ফাইন্ডেবল আফটার পাওয়ার অফ” লেখা দেখলে বোঝা যাবে, ফোন বন্ধ হওয়ার পরও সেটি শনাক্ত করা যাবে।

চুরি হলে যে সেটিংস কাজে আসবে

লক থাকা অবস্থায় কেউ যেন কন্ট্রোল সেন্টার খুলে এয়ারপ্লেন মোড চালু করে ফোনকে অফলাইনে নিতে না পারে, সেজন্য সেটিংস > ফেইস আইডি অ্যান্ড পাসকোড > অ্যালাউ অ্যাকসেস হোয়েন লকড মেনুতে গিয়ে ‘কন্ট্রোল সেন্টার’ অপশনটি বন্ধ করে রাখুন। এতে লক স্ক্রিন থেকে সহজে নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

বন্ধ আইফোন কতক্ষণ খুঁজে পাওয়া যায়?

এই সুবিধা আইফোন ১১ বা তার পরের মডেলে এবং আইওএস ১৫ বা তার পরের সংস্করণে কাজ করে। তবে আইফোন এসই ও ই সিরিজের কিছু মডেলে এটি সাপোর্ট করে না। চার্জ থাকা অবস্থায় ম্যানুয়ালি ফোন বন্ধ করলে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লোকেশন শনাক্ত করা সম্ভব। ব্যাটারি সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেলেও আইওএস ১৫.২ বা পরবর্তী সংস্করণে থাকা সামঞ্জস্যপূর্ণ আইফোন প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত কম শক্তির ব্লুটুথ সিগন্যাল পাঠাতে পারে। এই সময় ফোন আশপাশের অন্য অ্যাপল ডিভাইসের মাধ্যমে তার অবস্থান জানিয়ে দেয়।

এরপর ফাইন্ড মাইতে সর্বশেষ শনাক্ত হওয়া লোকেশন সর্বোচ্চ সাত দিন পর্যন্ত দেখা যায়। সাত দিনের বেশি সময় কোনো আপডেট না এলে সাধারণত “নো লোকেশন ফাউন্ড” মেসেজ আসে।

ফোন খুঁজে না পেলে অন্য কোনো অ্যাপল ডিভাইস বা ফাইন্ড মাই ওয়েবসাইট থেকে সেটিকে লস্ট মোডে রাখা যায়। তখন ফোন আবার চালু হলে মালিকের দেওয়া বার্তা লক স্ক্রিনে দেখা যাবে। স্টোলেন ডিভাইস প্রোটেকশন চালু থাকলে লস্ট মোড বন্ধ করতে ফেইস আইডি বা টাচ আইডি লাগবে। তাই ফোন বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার সময় ছাড়া সাধারণত ফাইন্ড মাই বন্ধ না রাখাই নিরাপদ।

Share this news as a Photo Card