নিউইয়র্ক ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ জন শিক্ষক, পাস করেনি কেউ

  • আপডেটের সময় : ১২:৫৭:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ থেকে চলতি বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ পরীক্ষার্থী। তাদের জন্য কলেজটিতে কর্মরত রয়েছেন ১৭ জন শিক্ষক। তবে ওই ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।

প্রতিষ্ঠানটিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সেখানে ১৭ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি।

শুধু পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

নওগাঁর যে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলো হলো—মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাণীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, মান্দার শ্যামচাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ ও ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আত্রাই উপজেলার সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ।

স্থানীয়রা বলেন, সরকারি কোষাগার থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পান। এরপরও পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ১৭ জন শিক্ষক ১০ পরীক্ষার্থীর কাউকেই পাস করাতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না, তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। তাদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফলাফল এত খারাপ।’

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

ভারতে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইলেন ইমরান খান

যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইন উৎসবে বন্দুক হামলা, নিহত ৬

০২ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

১০ পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ জন শিক্ষক, পাস করেনি কেউ

আপডেটের সময় : ১২:৫৭:৫২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ থেকে চলতি বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ পরীক্ষার্থী। তাদের জন্য কলেজটিতে কর্মরত রয়েছেন ১৭ জন শিক্ষক। তবে ওই ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।

প্রতিষ্ঠানটিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে সেখানে ১৭ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের কেউই পাস করতে পারেননি।

শুধু পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

নওগাঁর যে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলো হলো—মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাণীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, মান্দার শ্যামচাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ ও ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আত্রাই উপজেলার সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ।

স্থানীয়রা বলেন, সরকারি কোষাগার থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পান। এরপরও পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ১৭ জন শিক্ষক ১০ পরীক্ষার্থীর কাউকেই পাস করাতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি রয়েছে কি না, তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদন্ত করে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। তাদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফলাফল এত খারাপ।’

Share this news as a Photo Card