নিউইয়র্ক ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

  • আপডেটের সময় : ১২:২০:৪৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এ ঋণের পরিমাণ আগের প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৫১০ কোটি ডলারে। আগের প্রান্তিকের শেষে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার।

তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ কমেছে। মার্চের শেষে এ খাতের ঋণের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন মাসে বেসরকারি খাতের ঋণ কমেছে ১৪ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশই ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, গত জুনের শেষে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) ও বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, আলোচ্য প্রান্তিকে সরকারি খাতের ঋণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

রাহুল গান্ধীর পদযাত্রা ঘিরে দিল্লিতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ, মোতায়েন হাজারো পুলিশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে বিরোধী দল, দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার

১২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে

আপডেটের সময় : ১২:২০:৪৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়ে ১১৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন বা ১১ হাজার ৪৯৮ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) এ ঋণের পরিমাণ আগের প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তুলনায় ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত জুনের শেষে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ৫১০ কোটি ডলারে। আগের প্রান্তিকের শেষে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ৯০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে ৪১৯ কোটি ডলার।

তবে একই সময়ে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ কমেছে। মার্চের শেষে এ খাতের ঋণের পরিমাণ ছিল ২০ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। জুনের শেষে তা কমে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন মাসে বেসরকারি খাতের ঋণ কমেছে ১৪ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের ৮৭ দশমিক ৫২ শতাংশই ছিল দীর্ঘমেয়াদি। এর পরিমাণ ১০০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

ঋণদাতার ধরন অনুযায়ী, গত জুনের শেষে বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৮ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপক্ষীয় ঋণের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া বাণিজ্যিক ঋণ ছিল ১০ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বেসরকারি খাতের স্বল্পমেয়াদি ঋণ, ক্রেতাঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) ও বাণিজ্যঋণ কমে যাওয়ায় এ খাতের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। বিপরীতে, আলোচ্য প্রান্তিকে সরকারি খাতের ঋণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।

Share this news as a Photo Card