নিউইয়র্ক ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শব্দ নিষিদ্ধ করছেন ট্রাম্প

  • আপডেটের সময় : ১২:১৭:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নথিপত্রে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শব্দটি ভুল ও অযৌক্তিক উল্লেখ করে তার প্রশাসন এটি ব্যবহার নিষিদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই প্রযুক্তিকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে উদ্দেশ্য করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নামক এই অত্যন্ত খারাপ এবং ভুল নামটিকে এসআই (সুপার ইন্টেলিজেন্স) বলা শুরু করবে, যে নামটি প্রায় সবাই ব্যবহার করছে বা শিগগিরই ব্যবহার করবে?’

নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘খুব দ্রুতই আমরা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এআই/আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি নিষিদ্ধ করব।’

এই ঘোষণার আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ‘ইনঅগুরেটিং দ্য এরা অব সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে আইনগত সুযোগ থাকা সাপেক্ষে সমস্ত সরকারি যোগাযোগ, ওয়েবভিত্তিক তথ্য, প্রশাসনিক নথি ও প্রতিবেদনে এআই শব্দের বদলে এসআই ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুরোনো আইন, চুক্তি ও ঐতিহাসিক আর্কাইভে এটি পরিবর্তন করা হবে না।নিউজ এজেন্সি এএনআই-এর বরাতে নির্বাহী আদেশের যুক্তি তুলে ধরে বলা হয়, প্রযুক্তি উদ্ভাবনগুলো এখন মানুষের মেধা অনুকরণ বা স্বয়ংক্রিয়করণের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘আজকের সীমান্ত ব্যবস্থাগুলোর সক্ষমতা মানব বুদ্ধিমত্তার বিচ্ছিন্ন দিকগুলোকে অনুকরণ বা স্বয়ংক্রিয় করার চেয়েও অনেক বেশি কিছু করে। এগুলো ক্রমেই মানুষের সৃজনশীলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিজ্ঞানের নতুন পথ উন্মুক্ত করছে, যা মানব প্রচেষ্টার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্বে অসম্ভবকে অর্জন করতে মার্কিনিদের ক্ষমতায়িত করছে।’

উক্ত নির্দেশনার আওতায় প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহকারীকে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসে সুপার ইন্টেলিজেন্সের একটি নতুন আইনগত সংজ্ঞা প্রস্তাবের সময় দেওয়া হয়েছে। ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গ, সুন্দর পিচাই এবং জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তি প্রধানদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এই নীতিগত সিদ্ধান্তটি নেওয়া হলো।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

ব্রাজিলের পাসপোর্ট বাতিলের পর যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালেন ফ্লাভিও বলসোনারো

২৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শব্দ নিষিদ্ধ করছেন ট্রাম্প

আপডেটের সময় : ১২:১৭:৩৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন নথিপত্রে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ শব্দটি ভুল ও অযৌক্তিক উল্লেখ করে তার প্রশাসন এটি ব্যবহার নিষিদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই প্রযুক্তিকে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ নামে ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে উদ্দেশ্য করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল কখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নামক এই অত্যন্ত খারাপ এবং ভুল নামটিকে এসআই (সুপার ইন্টেলিজেন্স) বলা শুরু করবে, যে নামটি প্রায় সবাই ব্যবহার করছে বা শিগগিরই ব্যবহার করবে?’

নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘খুব দ্রুতই আমরা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এআই/আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি নিষিদ্ধ করব।’

এই ঘোষণার আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ‘ইনঅগুরেটিং দ্য এরা অব সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শীর্ষক একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন। ওই আদেশে আইনগত সুযোগ থাকা সাপেক্ষে সমস্ত সরকারি যোগাযোগ, ওয়েবভিত্তিক তথ্য, প্রশাসনিক নথি ও প্রতিবেদনে এআই শব্দের বদলে এসআই ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুরোনো আইন, চুক্তি ও ঐতিহাসিক আর্কাইভে এটি পরিবর্তন করা হবে না।নিউজ এজেন্সি এএনআই-এর বরাতে নির্বাহী আদেশের যুক্তি তুলে ধরে বলা হয়, প্রযুক্তি উদ্ভাবনগুলো এখন মানুষের মেধা অনুকরণ বা স্বয়ংক্রিয়করণের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘আজকের সীমান্ত ব্যবস্থাগুলোর সক্ষমতা মানব বুদ্ধিমত্তার বিচ্ছিন্ন দিকগুলোকে অনুকরণ বা স্বয়ংক্রিয় করার চেয়েও অনেক বেশি কিছু করে। এগুলো ক্রমেই মানুষের সৃজনশীলতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং বিজ্ঞানের নতুন পথ উন্মুক্ত করছে, যা মানব প্রচেষ্টার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পূর্বে অসম্ভবকে অর্জন করতে মার্কিনিদের ক্ষমতায়িত করছে।’

উক্ত নির্দেশনার আওতায় প্রেসিডেন্টের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহকারীকে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসে সুপার ইন্টেলিজেন্সের একটি নতুন আইনগত সংজ্ঞা প্রস্তাবের সময় দেওয়া হয়েছে। ইলন মাস্ক, মার্ক জাকারবার্গ, সুন্দর পিচাই এবং জেনসেন হুয়াংয়ের মতো প্রযুক্তি প্রধানদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এই নীতিগত সিদ্ধান্তটি নেওয়া হলো।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Share this news as a Photo Card