নিউইয়র্ক ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশিসহ বিদেশিদের স্পন্সরশিপ ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ দিল কানাডা

  • আপডেটের সময় : ০৮:৪৩:৪৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের একটি দুঃসংবাদ দিয়েছে দেশটির সরকার।

 বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে স্থায়ীভাবে কানাডায় আনার জনপ্রিয় প্যারেন্টস অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস (পিজিপি) স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামে নতুন আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) কানাডার অভিবাসন বিভাগ ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

আইআরসিসি জানিয়েছে, কার্যকর, সুশৃঙ্খল ও টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ২০২৫–২০২৭ সালের অভিবাসন পরিকল্পনার আওতায় ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই চলবে। চলতি বছর পূর্বে জমা দেওয়া আবেদন থেকে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পিজিপি কর্মসূচিতে আবেদনকারীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত কোটার তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জট তৈরি হয়েছে। সেই ব্যাকলগ কমাতে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং সম্ভাব্য স্পন্সরদেরও আবেদন করার আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

কানাডিয়ান প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৬০ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নতুন আবেদন বন্ধ থাকলেও বাবা-মা বা দাদা-দাদিদের জন্য সুপার ভিসা কর্মসূচি চালু থাকবে। এই ভিসার মাধ্যমে তারা একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কানাডায় অবস্থান করতে পারবেন এবং ১০ বছর পর্যন্ত একাধিকবার দেশটিতে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

কানাডা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পিজিপি কর্মসূচির আওতায় ২৭ হাজার ৩৩০ জন স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। একই সময়ে ৫৩ হাজার ৬৯৫টি সুপার ভিসা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘এটাই রাজনৈতিক যাত্রার শেষ’, বিদায়ী ভাষণে স্টারমার

১৭ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

বাংলাদেশিসহ বিদেশিদের স্পন্সরশিপ ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ দিল কানাডা

আপডেটের সময় : ০৮:৪৩:৪৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের একটি দুঃসংবাদ দিয়েছে দেশটির সরকার।

 বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে স্থায়ীভাবে কানাডায় আনার জনপ্রিয় প্যারেন্টস অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস (পিজিপি) স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামে নতুন আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) কানাডার অভিবাসন বিভাগ ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

আইআরসিসি জানিয়েছে, কার্যকর, সুশৃঙ্খল ও টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ২০২৫–২০২৭ সালের অভিবাসন পরিকল্পনার আওতায় ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই চলবে। চলতি বছর পূর্বে জমা দেওয়া আবেদন থেকে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পিজিপি কর্মসূচিতে আবেদনকারীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত কোটার তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে জট তৈরি হয়েছে। সেই ব্যাকলগ কমাতে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না এবং সম্ভাব্য স্পন্সরদেরও আবেদন করার আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

কানাডিয়ান প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৬০ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নতুন আবেদন বন্ধ থাকলেও বাবা-মা বা দাদা-দাদিদের জন্য সুপার ভিসা কর্মসূচি চালু থাকবে। এই ভিসার মাধ্যমে তারা একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কানাডায় অবস্থান করতে পারবেন এবং ১০ বছর পর্যন্ত একাধিকবার দেশটিতে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

কানাডা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পিজিপি কর্মসূচির আওতায় ২৭ হাজার ৩৩০ জন স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। একই সময়ে ৫৩ হাজার ৬৯৫টি সুপার ভিসা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

Share this news as a Photo Card