নিউইয়র্ক ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : ০১:২৯:৪৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। তারা নাগরিকত্ব, মানবাধিকার, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকার পাবে। এই সমস্ত অধিকার নির্ভয়ে ও নিঃশঙ্কচিত্তে নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় কৌশল নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় আছে। তাদের নাগরিক অধিকারের কথা চিন্তায় আছে। রোহিঙ্গা ইস্যুটি বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন মানবিক দিক থেকে বিবেচনার বিষয়, অন্যদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার প্রশ্নও এখানে জড়িত।’

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জাতিসংঘের অধিবেশনে যাওয়ার পর যখন ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে, তখন আমরা বলেছি যে শুধুমাত্র জোর করে রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে দিলাম বা ইন্টারন্যাশনালি চাপিয়ে দিলেন সেটা নয়। একজন রোহিঙ্গা স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। সে (রোহিঙ্গা) তার নাগরিকত্ব পাবে, মানবাধিকার পাবে, মর্যাদা পাবে, শিক্ষার অধিকার পাবে সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং এটা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় একটি কমিটি আছে। রোহিঙ্গা সমস্যার কীভাবে সমাধান করা যায় সেটা আমরা দেখছি। যেভাবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার অতীতে করেছিলেন, আমরাও সে পথ ধরেই হাঁটছি। আমরা মনে করি সে পথ ধরেই রোহিঙ্গা ইস্যুটাকে যৌক্তিক একটা পরিণতির জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে।’

নীতি গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. শাকিল আহমেদের পরিচালনায় সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সুফিউর রহমান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘পরাজিত ব্যক্তি’ বলতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ব্রিফিং ছাড়লেন ট্রাম্প

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ইরানের কেশম দ্বীপ

০৮ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেটের সময় : ০১:২৯:৪৮ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। তারা নাগরিকত্ব, মানবাধিকার, মর্যাদা ও শিক্ষার অধিকার পাবে। এই সমস্ত অধিকার নির্ভয়ে ও নিঃশঙ্কচিত্তে নিশ্চিত করতে হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতীয় কৌশল নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মানবাধিকারের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় আছে। তাদের নাগরিক অধিকারের কথা চিন্তায় আছে। রোহিঙ্গা ইস্যুটি বাংলাদেশের জন্য একদিকে যেমন মানবিক দিক থেকে বিবেচনার বিষয়, অন্যদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার প্রশ্নও এখানে জড়িত।’

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জাতিসংঘের অধিবেশনে যাওয়ার পর যখন ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটির সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে, তখন আমরা বলেছি যে শুধুমাত্র জোর করে রোহিঙ্গাদের পাঠিয়ে দিলাম বা ইন্টারন্যাশনালি চাপিয়ে দিলেন সেটা নয়। একজন রোহিঙ্গা স্বদেশে ফেরত যাওয়ার ক্ষেত্রে তার নিরাপত্তার বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে। সে (রোহিঙ্গা) তার নাগরিকত্ব পাবে, মানবাধিকার পাবে, মর্যাদা পাবে, শিক্ষার অধিকার পাবে সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং এটা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মহলকে সম্পৃক্ত হতে হবে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় একটি কমিটি আছে। রোহিঙ্গা সমস্যার কীভাবে সমাধান করা যায় সেটা আমরা দেখছি। যেভাবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার অতীতে করেছিলেন, আমরাও সে পথ ধরেই হাঁটছি। আমরা মনে করি সে পথ ধরেই রোহিঙ্গা ইস্যুটাকে যৌক্তিক একটা পরিণতির জায়গায় নিয়ে যাওয়া যাবে।’

নীতি গবেষণা কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. শাকিল আহমেদের পরিচালনায় সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সুফিউর রহমান।

Share this news as a Photo Card