উত্তর আমেরিকার অন্যতম বড় সামাজিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউ ইয়র্ক’-এর কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর দিনব্যাপী নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস, কুইন্সের উডসাইড ও জ্যামাইকা এবং ব্রুকলিনের ফুলটন ও ওজনপার্কে অবস্থিত মোট ৫টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মাথাপিছু ২০ ডলার ফি দিয়ে মোট ৩৫ হাজার ২৬৯ জন প্রবাসী ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের প্রধান আবু নাসের। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্য বদরুল হোসেন খান, শামসুদ্দিন আজাদ, রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিয়া মোহাম্মদ দুলাল ও মিতু হামিদ উপস্থিত ছিলেন।
পঞ্চাশ বছরের পুরনো এই সংগঠনের গঠনতন্ত্রে সর্বশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচিত কমিটি আগামী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে।
মনোনয়ন ও অন্যান্য তারিখসমূহ ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট এবং জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ আগস্ট। এরপর আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে এবং ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচনে সভাপতি পদে মনোনয়ন ফি ৬ হাজার মার্কিন ডলার এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ হাজার মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পদের জন্যও নির্দিষ্ট ফি ধার্য করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম এবং প্রার্থীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস এদিকে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠের প্রচারণায় নেমেছেন প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে মূলত দুটি প্যানেলের মধ্যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর একটি হলো বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন ‘সেলিম-আলী প্যানেল’ এবং অন্যটি হলো আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন ‘কুনু-ফিরোজ প্যানেল’। এর বাইরে স্বতন্ত্রভাবে দু-একজনের নাম শোনা গেলেও ভোটার সংগ্রহের সময় তাদের মাঠপর্যায়ে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি।


























