নিউইয়র্ক ০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু

  • আপডেটের সময় : ০১:১৪:২৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত আন্তর্জাতিক টার্মিনালে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইট ওঠানামা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রায় ১৮ হাজার বর্গমিটার আয়তনের আধুনিক টার্মিনালটি দিয়ে প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়।

নতুন টার্মিনাল চালু হওয়ায় কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। যাত্রীরা টার্মিনালের পরিচ্ছন্নতা, প্রশস্ত জায়গা ও দ্রুত লাগেজ পাওয়ার সুবিধায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

এক যাত্রী বলেন, নতুন হিসেবে টার্মিনালটি বেশ ভালো লেগেছে। আগের তুলনায় এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বেশি এবং হয়রানিও কম হয়েছে। সহজেই লাগেজ পাওয়া গেছে। কক্সবাজারের মতো পর্যটনকেন্দ্রে এমন পরিবেশ প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশীয় বিমান সংস্থাগুলো বলছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ এই টার্মিনালে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের স্টেশন ম্যানেজার মোসা আহমেদ বলেন, ‘আমাদের প্রস্থান হলটি বেশ প্রশস্ত, আগমন হলটিও প্রশস্ত। পাশাপাশি বোর্ডিং লাউঞ্জটিও অনেক বড় ও সুন্দর। সব মিলিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যাত্রীদের জন্য প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই এখানে রাখা হয়েছে।’

নভোএয়ারের স্টেশন ম্যানেজার সারওয়ার উল কাদের বলেন, নতুন টার্মিনালে ব্যাগেজ বেল্টের সুবিধা রয়েছে। পুরো এলাকাটিও বড় ও প্রশস্ত। আগে যাত্রীদের গাদাগাদি করে থাকতে হতো, নতুন টার্মিনাল চালু হওয়ায় সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ মিলেছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, যাত্রী হয়রানি রোধের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন টার্মিনালে জোরদার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মো. সাইফুল্লাহ বলেন, বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিমানবাহিনী, বেবিচকের নিরাপত্তা বিভাগ ও পুলিশের এপিবিএন সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তার কাজে যুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬টি বিভাগ বা সংস্থা একযোগে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ওঠানামা করার কথা রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

দক্ষিণের সীমানা পেরিয়ে এবার বাংলায় পা রাখল থালাপতি বিজয়ের দল

দক্ষিণ আফ্রিকায় ১১ নারীর মরদেহ উদ্ধার, বাড়ছে ‘সিরিয়াল কিলার’ আতঙ্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে ফ্লাইট ওঠা-নামা শুরু

আপডেটের সময় : ০১:১৪:২৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত আন্তর্জাতিক টার্মিনালে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্লাইট ওঠানামা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রায় ১৮ হাজার বর্গমিটার আয়তনের আধুনিক টার্মিনালটি দিয়ে প্রথমবারের মতো ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়।

নতুন টার্মিনাল চালু হওয়ায় কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। যাত্রীরা টার্মিনালের পরিচ্ছন্নতা, প্রশস্ত জায়গা ও দ্রুত লাগেজ পাওয়ার সুবিধায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

এক যাত্রী বলেন, নতুন হিসেবে টার্মিনালটি বেশ ভালো লেগেছে। আগের তুলনায় এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বেশি এবং হয়রানিও কম হয়েছে। সহজেই লাগেজ পাওয়া গেছে। কক্সবাজারের মতো পর্যটনকেন্দ্রে এমন পরিবেশ প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশীয় বিমান সংস্থাগুলো বলছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ এই টার্মিনালে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের স্টেশন ম্যানেজার মোসা আহমেদ বলেন, ‘আমাদের প্রস্থান হলটি বেশ প্রশস্ত, আগমন হলটিও প্রশস্ত। পাশাপাশি বোর্ডিং লাউঞ্জটিও অনেক বড় ও সুন্দর। সব মিলিয়ে এখানে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। যাত্রীদের জন্য প্রায় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই এখানে রাখা হয়েছে।’

নভোএয়ারের স্টেশন ম্যানেজার সারওয়ার উল কাদের বলেন, নতুন টার্মিনালে ব্যাগেজ বেল্টের সুবিধা রয়েছে। পুরো এলাকাটিও বড় ও প্রশস্ত। আগে যাত্রীদের গাদাগাদি করে থাকতে হতো, নতুন টার্মিনাল চালু হওয়ায় সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ মিলেছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, যাত্রী হয়রানি রোধের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন টার্মিনালে জোরদার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মো. সাইফুল্লাহ বলেন, বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের পাশাপাশি বিমানবাহিনী, বেবিচকের নিরাপত্তা বিভাগ ও পুলিশের এপিবিএন সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তার কাজে যুক্ত রয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ১৬টি বিভাগ বা সংস্থা একযোগে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ওঠানামা করার কথা রয়েছে।

Share this news as a Photo Card