নিউইয়র্ক ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ম্যারাডোনার কাছেও ২-১ গোলে হেরেছিল ইংল্যান্ড

  • আপডেটের সময় : ০৮:১৯:৪৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ০ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

চার দশক পেরিয়ে গেছে। ফুটবল, প্রজন্ম এবং বিশ্বকাপের মঞ্চ-সবকিছুই বদলেছে। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের চিত্র যেন আজও একই রয়ে গেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তাদের জয় মানেই ইতিহাস পাতায় নতুন কোনো মহাকাব্যের সূচনা, যার একেক অধ্যায়ে কখনো নায়ক হয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা, কখনো লিওনেল মেসি এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। চার দশক পর ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও একই ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে মেসির আর্জেন্টিনা। সবচেয়ে বড় মিল, দুই ম্যাচেই আর্জেন্টিনার নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির ফুটবল ইতিহাসের দুই সর্বকালের সেরা তারকা।১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচটি আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং এরপর নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে একাধিক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে করা অসাধারণ গোলটি ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে এখনো অমলিন। শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর কেটে গেছে ৪০ বছর। ফুটবল বদলেছে, বদলেছে প্রজন্ম, বদলেছে বিশ্বকাপের মঞ্চও। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গল্প যেন বদলায়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবারও সেই একই প্রতিপক্ষ, আবারও একই ২-১ ব্যবধান। এবার আর্জেন্টিনার নেতৃত্বে ছিলেন ফুটবলের আরেক মহাতারকা লিওনেল মেসি। তবে অবিশ্বাস্য মিল হলো ৪০ বছরের ব্যবধানে দুই ম্যাচেই প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, দুই ম্যাচেই জয় আর্জেন্টিনার, আর দুই ম্যাচেই জয়ের ব্যবধান ২-১।

ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। এবার মেসির সামনে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে মেসির আর্জেন্টিনা এখন শিরোপার আরও কাছে। ফলে ১৯৮৬ সালের স্মৃতির সঙ্গে ২০২৬ সালের এই জয়কে মিলিয়ে দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের দুই জয় তাই আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে এখন এক অনন্য সমান্তরাল গল্প। এক প্রান্তে ম্যারাডোনা, অন্য প্রান্তে মেসি। আর মাঝখানে চার দশকের ব্যবধান পেরিয়ে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একই স্কোরলাইনে লেখা দুটি স্মরণীয় জয়।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

‘এটাই রাজনৈতিক যাত্রার শেষ’, বিদায়ী ভাষণে স্টারমার

১৭ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

ম্যারাডোনার কাছেও ২-১ গোলে হেরেছিল ইংল্যান্ড

আপডেটের সময় : ০৮:১৯:৪৫ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

চার দশক পেরিয়ে গেছে। ফুটবল, প্রজন্ম এবং বিশ্বকাপের মঞ্চ-সবকিছুই বদলেছে। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের চিত্র যেন আজও একই রয়ে গেছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তাদের জয় মানেই ইতিহাস পাতায় নতুন কোনো মহাকাব্যের সূচনা, যার একেক অধ্যায়ে কখনো নায়ক হয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা, কখনো লিওনেল মেসি এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। চার দশক পর ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও একই ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে মেসির আর্জেন্টিনা। সবচেয়ে বড় মিল, দুই ম্যাচেই আর্জেন্টিনার নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির ফুটবল ইতিহাসের দুই সর্বকালের সেরা তারকা।১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচটি আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং এরপর নিজের অর্ধ থেকে বল নিয়ে একাধিক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে করা অসাধারণ গোলটি ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে এখনো অমলিন। শেষ পর্যন্ত সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর কেটে গেছে ৪০ বছর। ফুটবল বদলেছে, বদলেছে প্রজন্ম, বদলেছে বিশ্বকাপের মঞ্চও। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গল্প যেন বদলায়নি। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আবারও সেই একই প্রতিপক্ষ, আবারও একই ২-১ ব্যবধান। এবার আর্জেন্টিনার নেতৃত্বে ছিলেন ফুটবলের আরেক মহাতারকা লিওনেল মেসি। তবে অবিশ্বাস্য মিল হলো ৪০ বছরের ব্যবধানে দুই ম্যাচেই প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, দুই ম্যাচেই জয় আর্জেন্টিনার, আর দুই ম্যাচেই জয়ের ব্যবধান ২-১।

ম্যারাডোনা ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন। এবার মেসির সামনে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে মেসির আর্জেন্টিনা এখন শিরোপার আরও কাছে। ফলে ১৯৮৬ সালের স্মৃতির সঙ্গে ২০২৬ সালের এই জয়কে মিলিয়ে দেখছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের দুই জয় তাই আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে এখন এক অনন্য সমান্তরাল গল্প। এক প্রান্তে ম্যারাডোনা, অন্য প্রান্তে মেসি। আর মাঝখানে চার দশকের ব্যবধান পেরিয়ে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে একই স্কোরলাইনে লেখা দুটি স্মরণীয় জয়।

Share this news as a Photo Card