নিউইয়র্ক ০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ পয়েন্ট হারালো পাকিস্তান, গুনতে হচ্ছে জরিমানা

  • আপডেটের সময় : ০৩:৩৬:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ সময়-দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কাছে তিন টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আরও বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ধীরগতির ওভার-রেটের কারণে পাকিস্তানের ১১টি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

এজবাস্টন টেস্টে নির্ধারিত সময়ের হিসাব সমন্বয় করার পরও পাকিস্তান নির্ধারিত ওভার-রেটের চেয়ে ১১ ওভার পিছিয়ে ছিল। এ কারণে আইসিসির আচরণবিধির ন্যূনতম ওভার-রেট সংক্রান্ত ২.২২ ধারা অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওভার শেষ করতে ব্যর্থ হলে প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি-র ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ। ১১ ওভার পিছিয়ে থাকায় পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ডব্লিউটিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কম করা প্রতিটি ওভারের জন্য একটি করে চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট কাটা হয়। সেই নিয়মে পাকিস্তানের মোট পয়েন্ট থেকে ১১ পয়েন্ট বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে চলমান ডব্লিউটিসি চক্রে আরও পিছিয়ে পড়েছে পাকিস্তান। পয়েন্ট তালিকার নবম স্থানেই থাকা দলটির পয়েন্ট পার্সেন্টেজ কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৩-তে। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই অভিযোগ আনেন মাঠের দুই আম্পায়ার পল রাইফেল ও ক্রিস গ্যাফানি, তৃতীয় আম্পায়ার আল্লাহউদিন পালেকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাসেল ওয়ারেন। আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

ইংল্যান্ড সফরটা অবশ্য এমনিতেই দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে পাকিস্তানের। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হারে তারা। এরপর এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে আট উইকেটে জিতে ইংল্যান্ড সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে পাকিস্তানকে লর্ডস টেস্টে হারের পর পাকিস্তান দলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলি আঘা, আলি উসমান, আমির জামাল, মুহাম্মদ আওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

এজবাস্টন টেস্টে সাদা বলের ক্রিকেটের কোচ মাইক হেসনের হাতে টেস্ট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার সঙ্গে যোগ দেন অ্যাশলি নফকে। দলে নেওয়া হয় সাত নতুন খেলোয়াড়কে, যাদের পাঁচ জনই ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না খেলা। তবে এত পরিবর্তনের পরও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের ধারা থামাতে পারেনি পাকিস্তান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

কাশ্মীরে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ইন্টারনেট

ভাঙনের পথে যুক্তরাজ্য

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.usbdjournal24.com

১১ পয়েন্ট হারালো পাকিস্তান, গুনতে হচ্ছে জরিমানা

আপডেটের সময় : ০৩:৩৬:৩৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইংল্যান্ডের কাছে তিন টেস্টের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আরও বড় ধাক্কা খেল পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ধীরগতির ওভার-রেটের কারণে পাকিস্তানের ১১টি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ জরিমানা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

এজবাস্টন টেস্টে নির্ধারিত সময়ের হিসাব সমন্বয় করার পরও পাকিস্তান নির্ধারিত ওভার-রেটের চেয়ে ১১ ওভার পিছিয়ে ছিল। এ কারণে আইসিসির আচরণবিধির ন্যূনতম ওভার-রেট সংক্রান্ত ২.২২ ধারা অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওভার শেষ করতে ব্যর্থ হলে প্রতি ওভারের জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফি-র ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়। সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ ম্যাচ ফি-র ৫০ শতাংশ। ১১ ওভার পিছিয়ে থাকায় পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ডব্লিউটিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কম করা প্রতিটি ওভারের জন্য একটি করে চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট কাটা হয়। সেই নিয়মে পাকিস্তানের মোট পয়েন্ট থেকে ১১ পয়েন্ট বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে চলমান ডব্লিউটিসি চক্রে আরও পিছিয়ে পড়েছে পাকিস্তান। পয়েন্ট তালিকার নবম স্থানেই থাকা দলটির পয়েন্ট পার্সেন্টেজ কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৬৩-তে। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই অভিযোগ আনেন মাঠের দুই আম্পায়ার পল রাইফেল ও ক্রিস গ্যাফানি, তৃতীয় আম্পায়ার আল্লাহউদিন পালেকার এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাসেল ওয়ারেন। আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মাদুগালে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

ইংল্যান্ড সফরটা অবশ্য এমনিতেই দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে পাকিস্তানের। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হারে তারা। এরপর এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে আট উইকেটে জিতে ইংল্যান্ড সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে পাকিস্তানকে লর্ডস টেস্টে হারের পর পাকিস্তান দলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আলি আঘা, আলি উসমান, আমির জামাল, মুহাম্মদ আওয়াইস জাফর ও খুররম শাহজাদকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

এজবাস্টন টেস্টে সাদা বলের ক্রিকেটের কোচ মাইক হেসনের হাতে টেস্ট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার সঙ্গে যোগ দেন অ্যাশলি নফকে। দলে নেওয়া হয় সাত নতুন খেলোয়াড়কে, যাদের পাঁচ জনই ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না খেলা। তবে এত পরিবর্তনের পরও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের ধারা থামাতে পারেনি পাকিস্তান।

Share this news as a Photo Card